আজ হিন্দু ধর্মের অন্যতম শ্রেষ্ট আইকন স্বামী বিবেকানন্দর জন্মদিন|আজকের দিনেই অর্থাৎ এই 12ই জানুয়ারি তে উত্তর কলকাতায় শিলমা স্ট্রিটে তার জন্ম|তার নরেন থেকে বিবেকানন্দ হয়ে ওঠার এই যাত্রা খুবই ঘটনা বহুল ও রোমাঞ্চকর এবং পরবর্তীতে স্বামীজীর বাল্য জীবন, তার আধ্যাত্মিক জীবন,বিদেশ যাত্রা, সন্ন্যাস জীবন, রামকৃষ্ণের সান্নিধ্যে ধীরে ধীরে তার মহা মানবে রূপান্তর এবং তার সারা জীবন ব্যাপী সমাজ সংস্কার নিয়ে অসংখ্য লেখা লেখি হয়েছে, গবেষণা হয়েছে, হয়েছে সিনেমা, থিয়েটার ও তথ্যচিত্র|তবে তার চরিত্রের কয়েকটি বিশেষ দিক আজ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো, আজ লিখবো স্বামী বিবেকানন্দর রসবোধ নিয়ে,জানবো তার রসনা প্রীতি ও জানাবো কয়েকটি ঘটনার কথা যা তার ক্রীড়া প্রেমী ও ক্রীড়াবিদ সত্ত্বাকেও প্রকাশ করে|ঠাকুর তার শিষ্য দের বলতেন ” সর্বদা রসে বসে থাকবে, কেঠ সন্ন্যাসী হবে না ” আর এই দিকটি সব থেকে বেশি প্রতিফলিত হয়েছিলো তার প্ৰিয় শিষ্য নরেনের জীবনে|স্বামীজীর রসবোধ ছিলো অতুলনীয়|আপনি কোন সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসী? এই প্রশ্ন পরিব্রাজক বিবেকানন্দ কে বহুবার শুনতে হয়েছে আর প্রতিবারই তিনি হেসে উত্তর দিতেন, ” আমি কচুরি সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসী ” আসলে কচুরি ছিলো বিবেকানন্দর অন্যতম প্ৰিয় খাদ্য|রসগোল্লা ইলিশ মাছ ছিলো খুব প্ৰিয়, এমনকি ছাত্র জীবনে বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তোলেন ‘পেটুক সংঘ’|শুধু খেতে নন স্বামীজী রান্না করতে ও খাওয়াতেও ভালো বাসতেন, নিজে হাতে রান্না করে গুরুভাইদের তিনি বহুবার কাটলেট ও পোলাও খাইয়েছেন,কচুরি ও বানাতেন দুর্দান্ত|স্বামী বিবেকানন্দ একদিন অধ্যাপক ম্যাকসমুলারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন। সারদানন্দ স্বামী। অধ্যাপক ম্যাকসমুলারের সঙ্গে তঁরা কী কথাবার্তা বলেছিলেন সে কথা কাউকে বলেননি ঠিকই, কিন্তু মজা করে বিবেকানন্দ ম্যাকস্মুলারদের কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করে ঘনিষ্ট মানুষদের সামনে উপস্থাপন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন|আমেরিকায় থাকার সময়ে এক বিদেশী বিবেকানন্দকে জিগ্যেস করলেন, আচ্ছা স্বামীজী, শুনেছি ভারতবর্ষে নাকি শিশু জন্মগ্রহণ করলেই তাকে গঙ্গার জলে ফেলে দেওয়া হয়?বিদেশীটির মুখে এইরকম অশিক্ষিত-প্রশ্ন শুনে স্বভাবতই স্বামী বিবেকানন্দের মাথাগরম হয়ে গেল। তবু তিনি রাগ সংবরণ করে ঠোঁটে কিঞ্চিৎ হাসি লাগিয়ে বললেন, আমি কিন্তু বেঁচে গিয়েছি।বিদেশী ভদ্র লোক থামলেন না। আবার প্রশ্ন করলেন বিবেকানন্দকে, স্বামীজী, আপনাদের দেশে কন্যা সন্তান জন্মালেই নাকি তাকে কুমীরের মুখে ছুঁড়ে দেওয়া হয়? এবার রাগের মাত্রা ছাড়িয়ে গেল| তবু বীর সন্ন্যাসী বিবেকানন্দ মুখে একগাল হাসি নিয়ে বিদেশীকে বললেন, আপনি ঠিকই শুনেছেন মশাই, সেই জন্যই তো আজকাল ভারতে পুরুষ রা সন্তান প্রসব করছে|তার এই রস বোধ ও উপস্থিত বুদ্ধিতে সেখানে উপস্থিত সবাই হেসে উঠেছিলেন|খেলতে ভালো বাসতেন স্বামীজী, কলকাতার ময়দানে ক্রিকেট খেলে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সেকালে, আবার নিয়মিত মুগুর ভাজা ও ব্যায়াম করা তার রুটিন ছিল|ফুটবল ছিলো তার খুব প্ৰিয়, তিনি বলতেন ঘরে বসে গীতা পড়লে শুধু হবেনা মাঠে গিয়ে ফুটবল ও খেলতে হবে|বিবেকানন্দর আদর্শ ও বাণী যেমন আমরা মেনে চলবো তেমনই তার জীবন ও অভ্যাস থেকেও অনেক কিছু শেখার আছে, ভাববার আছে|নেয়ার আছে অনেক কিছু|এই মহান সন্ন্যাসীর জন্মদিনে আমার শ্রদ্ধা জানাই, প্রনাম জানাই বীর সন্ন্যাসী বিবেকানন্দকে|ভালো থাকুন|নমস্কার|
পুরান রহস্য – কপিল মুনীর অভিশাপ
আর কিছুদিন পরেই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় মিলন উৎসব গঙ্গা সাগর মেলা অনুষ্ঠিত হবে|প্রতিবছর মকর সংক্রান্তির পুন্য তিথিতে লক্ষ লক্ষ পূর্ণার্থী ভিড় জমান এই মেলায়|এই স্থান ঘিরে রয়েছে এক পৌরাণিক ঘটনার উল্লেখ যার প্রধান চরিত্র কপিল মুনী|গঙ্গা সাগর ও কপিল মুনীর আশ্রম প্রায় সমার্থক! কিন্তু কে এই কপিল মুনী? আর কিভাবেই বা তার অভিশাপের ফলে মর্তে আগমন ঘটলো মা গঙ্গার?আসুন জেনে নিই|সূর্য বংশীয় রাজা সগর অশ্বমেধ যজ্ঞের আয়োজন করেন। নিজের আসন বিপন্ন হবে তাই ভীত হয়ে দেবরাজ কপিল মুনির অজান্তেই যজ্ঞের ঘোড়া চুরি করে বেঁধে রাখেন তাঁর আশ্রমে।এখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত|রাজার আদেশে তার ষাট হাজার সন্তান যজ্ঞর নিরুদ্দেশ ঘোড়া খুঁজতে এসে উপস্থিত হন কপিল মুনির আশ্রমে। না বুঝেই তাঁরা মুনিকে অপরাধী সাব্যস্ত করেন এবং চোর ও চক্রান্তকারী অপবাদ দেয়।অসীম ক্ষমতাধর কপিলমুনি রেগে গিয়ে তাঁদের অভিশাপ দেন এবং তাঁরা ভস্মীভূত হয়ে যায়। পরে মুক্তির পথ বলে দেন, গঙ্গা জলের স্পর্শই একমাত্র প্রতিকার|বহুকাল অতিক্রান্ত হয়, ওই রাজবংশের উত্তরপুরুষ ভাগীরথ, মহাদেবকে তুষ্ট করে পতিত পাবনী গঙ্গাকে স্বর্গ থেকে মর্তে নিয়ে আসেন। গঙ্গার ধারার ভষ্মিভূত সেই সন্তানরা পুনর্জীবন লাভ করে সশরীরে স্বর্গে ফিরে যান। এই স্থানেই মা গঙ্গা মিশে যান সাগরে আর এই কারণেই হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসীদের কাছে এটি একটি পবিত্র তীর্থক্ষেত্র।কিন্তু কি কপিল মুনির পরিচয় এবং তার গুরুত্ব কেনই বা এতো বেশি?কপিল মুনি একজন বৈদিক ঋষি ছিলেন এবং তাঁকে সংখ্যা দর্শনের অন্যতম প্রবর্তক বলে মনে করা হয়। ভগবত গীতায় কপিল মুনির উল্লেখ রয়েছে|আবার কিছই শাস্ত্র অনুসারে অনুসারে তিনি ব্রহ্মার পৌত্র মনুর বংশধর। আবার অনেকে বলেন কপিল মুনি হলেন বিষ্ণু ভক্ত প্রহ্লাদের পুত্র|এবছর গঙ্গা সাগর মেলা হবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয় তবে মকর সংক্রান্তির ঠিক আগে কপিল মুনি ও এই পবিত্র তীর্থস্থানকে আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম নিজের মতো করে|আপাতত অনলাইন ও চেম্বারে আমাকে পাবেন প্রায় প্রতিদিন যেকোনো সমস্যা নিয়ে কথা বলতে চাইলে যোগাযোগ করুন উল্লেখিত নাম্বারে |ভালো থাকুন|নমস্কার|
হোম যজ্ঞ কেনো করা হয়?
এই যে আমরা আধ্যাত্মিক জগতের মানুষরা প্রতিটি বিশেষ তিথিতে হোম যজ্ঞ করি বা সনাতন ধর্ম মতে প্রত্যেকটি শুভ অনুষ্ঠানের প্রধান অংশ হিসেবে হোম যজ্ঞ করা হয়, তা কেনো করা হয়? হোম ও যজ্ঞ কি শুধুই একটি উপাচার বা শাস্ত্রীয় পরম্পরা নাকি এর মধ্যে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো রহস্য? আজ এই বিশেষ পর্বে খুঁজবো এই সব প্রশ্নের উত্তর পাশাপাশি জানাবো পুরান ও অন্যান্য শাস্ত্রে হোম যজ্ঞ সম্পর্কে কি তথ্য আছে, কত রকম যজ্ঞ হয়, ও যজ্ঞ সংক্রান্ত আরো অনেকে ব্যাখ্যা ও পৌরাণিক ঘটনবলী|সনাতন ধর্মে,পুজো করার যত পদ্ধতি আছে , তারমধ্যে যজ্ঞ সর্ব্বশ্রেষ্ঠ।যে কোন ধরনের পূজা সম্পূর্ণ হয় যজ্ঞ সম্পদানের মাধ্যমে|দেবতার অনুগ্রহ লাভের উদ্দেশ্যে বেদমস্ত্র উচ্চারণপূর্বক অগ্নিতে আহুতি প্রদান অনুষ্ঠানই যজ্ঞ।এই যজ্ঞর দেবতা হলেন স্বয়ং অগ্নিদেব তার মাধ্যমেই আহুতি পৌঁছে যায় নিদ্দিষ্ট গন্তব্যে|যেকোনো যজ্ঞেই স্বহা উচ্চারিত হয় বার বার তার পেছনেও আছে এক পৌরাণিক ব্যাখ্যা|অগ্নিদেবের স্ত্রী হলেন স্বহা,অগ্নিদেবের সঙ্গে তাঁর বিবাহ সম্পন্ন হয়।কৃষ্ণ স্বয়ং স্বাহাকে আশীর্বাদ দিয়েছিলেন যে, শুধুমাত্র তাঁর মাধ্যমেই দেবতা হবিষ্য গ্রহণ করতে পারবেন। যজ্ঞ তখনই পূর্ণ হবে যখন আমন্ত্রিত দেবতাদের তাঁদের পছন্দের ভোগ পৌঁছে দেওয়া যাবে।সেই থেকে যজ্ঞের আহুতির মুহূর্তে তাকে স্মরণ করার প্রথা শুরু হয়|

শাস্ত্রে বিভিন্নরকমের যজ্ঞর উল্লেখ আছে|নব-গ্রহের সমসার জন্য নব-গ্রহ যজ্ঞ , সন্তান সমসার জন্য গোপাল-হোম , আর্থিক সমসস্যার জন্য মহা-লক্ষ্মীর যজ্ঞ ইত্যাদি করার বিধান দেওয়া আছে আমাদের শাস্ত্রাগুলোতে আবার পুরান ও রামায়ণ মহাভারতে উল্লেখ আছে অস্বমেধ যজ্ঞ, রাজশুয়ো যজ্ঞ, সর্প যজ্ঞ, এমনকি নর মেধ যজ্ঞর উল্লেখ ও রয়েছে|মহাভারতে রাজা যুধিষ্ঠির অশ্বমেধ যজ্ঞ করেছেন। এই যজ্ঞে একটা ঘোড়া বেঁধে রেখে হোম যজ্ঞ করা হতো আগুন জ্বালিয়ে তাতে ঘি, চন্দন কাষ্ঠ ইত্যাদি সুগন্ধি দ্রব্য দিয়ে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারিত হতো তার পর সেই ঘোড়াকে ছেড়ে দেয়া হতো। বৈদিক যুগের রাজা সম্রাটরাই এই অশ্বমেধ যজ্ঞ করতো। যজ্ঞের পর ঘোড়াকে ছেড়ে দিয়ে তার পিছনে সম্রাটের সেনাবাহিনী থাকত। ঐ ঘোড়া বিভিন্ন রাজ্যে প্রবেশ করতো। যে রাজা ঐ ঘোড়া আটক করতো না সেই রাজা যজ্ঞকারী সম্রাটের অধীনতা স্বীকার করেছেন বলে ধরে নেয়া হতো। আর যে রাজা ঘোরা আটক করতো তার সাথে যুদ্ধ হতো এবং জিতলে সাম্রাজ্য বিস্তার হতো|শাস্ত্র মতে প্রত্যেক যজ্ঞর রয়েছে নিদ্দিষ্ট বৈদিক মন্ত্র, নিদ্দিষ্ট কাঠ এবং বিশেষ উপাচার তাছাড়া যজ্ঞর সাফল্য নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর যেমন যজ্ঞের আগুন যেন নিভে না যায়,আহুতি-মন্ত্র শুদ্ধ উচ্চারণ করতে হবে,শুদ্ধ ঘী হতে হবে গরুর দুধের,প্রতিটা যজ্ঞের নির্দিষ্ট তিথি নক্ষত্র আছে,সে খেয়াল রাখতে হবে।যদি যজ্ঞ সঠিক নিয়ম মেনে হয় এবং সফল হয় সেক্ষেত্রে উদ্দেশ্য পূরণ অবশম্ভাবি এবং হোম শিখায় দিব্য রূপ দর্শনও অসম্ভব নয়|সদ্য ফিরেছি তারাপীঠে বকুল অমাবস্যায় হোম যজ্ঞ সেরে |তার রেশ কিছুটা টিকিয়ে রেখে আজ হোম যজ্ঞ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার চেষ্টা করলাম|জানাবেন কিরকম লাগলো |ভালো থাকুন |ধন্যবাদ |
বকুল অমাবস্যা – এক পুন্য তিথি
আজ 2 জানুয়ারি অমাবস্যা|পৌষমাসের এই বিশেষ অমাবস্যা তিথিকে বলা হয় ‘বকুল অমাবস্যা’৷ পৌরাণিক শাস্ত্র অনুযায়ী অমাবস্যা নিয়ে বহু কথা রয়েছে ৷ আর পৌষমাসের এই অমাবস্যার গুরুত্ব এবং মাহাত্ম্যও প্রচুর|বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্রের প্রতিকার বিধানের একটি অন্যতম পন্থা তন্ত্র|বিশেষ মন্ত্র উচ্চারণ ও হোম যজ্ঞের মাধ্যমে জাতক জাতিকার জিবনের গ্রহগতঅশুভ প্রভাব কে দূর করার যে পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়ে আসছে তা মূলত তন্ত্র মতেই হয়ে থাকে|এক্ষেত্রে সময় ওতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সর্বদা|এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ তিথি আজকের বকুল অমাবস্যা বা পৌষ অমাবস্যা|অমাবস্যার কারনে যে বিশেষ গ্রহগত অবস্থান সৃষ্টি হয় তা সরাসরি প্রভাবিত করে আমাদের জীবনকে এবং এই সময়ে তন্ত্র মতে শক্তি সাধনা ও আধ্যাত্মিক উপায়ে গ্রহের প্রতিকার বা গ্রহদোষ খণ্ডন অনেক বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে|আমার নিজের তিন দশকের বেশি পেশাদার জ্যোতিষ জীবনে আমি বহুবার উপলব্ধি করেছি এই অমাবস্যা তিথিতে শাস্ত্র মতে গ্রহদোষ খণ্ডন জাতক জাতিকার জীবনে কিভাবে আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, গ্রহ গত শুভ প্রভাব সৃষ্টি করেছে তাদের জীবনে|তন্ত্র ক্রিয়ার গুপ্ত তথ্য জন সমক্ষে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়, উচিত ও নয়|শুধু এটুকু বলবো এই অমাবস্যা উপলক্ষে তারাপীঠে 2 রা জানুয়ারি অমাবস্যা চলা কালীন বিশেষ পূজা ও গ্রহ দোষ খণ্ডনের সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে|সারা বছর জুড়ে প্রত্যেক অমাবস্যা তিথিতেই এমন বিশেষ পুজো ও হোম যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা থাকবে, অনলাইন পুজো এবং গ্রহ দোষ খণ্ডন ও করাতে পারেন, আপনারা চাইলে এই তিথিকে গুলিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের জীবনের গ্রহগত অশুভ প্রভাবকে কাটিয়ে উঠতে পারেন|শাস্ত্রে বিশ্বাস থাকলে, আমার উপর আস্থা থাকলে ফোন করুন আমার নাম্বারে, সরাসরি কথা বলুন আমার সাথে|কি কি করনীয় তা আমি বিস্তারিত জানাবো|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|
কল্প তরু উৎসব নিয়ে কিছু কথা ও নতুন বছরের শুভেচ্ছা
আরো একটা বছর শেষ এবং যথারীতি নতুন বছরে পদার্পন|এবার 2021|মহামারী, লকডাউন, মৃত্যু মিছিল সব মিলিয়ে সত্যি একটা খারাপ বছর গেলো|অনেক অভিজ্ঞতা হলো যা আজীবন সঙ্গে থাকবে|আর এই অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি নতুন এই বছরকে|
বছরের এই প্রথম দিন আরো একটা কারনে উল্লেখযোগ্য তাহলো কল্পতরু উৎসব ইতিহাস বলে, আজকের দিনেই ১৮৮৬ সালে মৃত্যুর কয়েক মাস আগে ভক্তদের ইচ্ছাপূরণে কল্পতরু হয়েছিলেন রামকৃষ্ণ পরমহংস এবং তার গৃহি ভক্ত শিষ্য দের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন তোমাদের চৈতণ্য হোক|কথিত আছে, ওই দিন রামকৃষ্ণ যাঁদের ছুঁয়েছিলেন, তাঁদের মনোস্কামনা পূরণ হয়েছিলেন। তারপর থেকেই নিজেদের মনোস্কামনা পূরণে কল্পতরু উৎসবে পুজো দিতে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত সমাগম হয় কাশীপুর উদ্যানবাটী এবং দক্ষিণেশ্বরে।
নতুন বছরে ফিরে আসবো নতুন লেখা, নতুন অনুষ্ঠান নিয়ে অবশ্যই থাকবে কিছু নতুন চমক যা নিয়ে যথা সময়ে বলবো|আশা করবো সবার সব স্বপ্ন পূরণ হোক এই বছরে,আর যেনো কোনো নতুন বিপদে আমাদের না পড়তে হয়, মা হৃদয়েশ্বরী সর্বমঙ্গলার কৃপায় দূর হোক সব বাঁধা বিপত্তি, সব দিয়ে সার্থক ও সুম্দর হোক 2022|আমার সব শুভাকাঙ্খী ও দর্শকদের জানাই নতুন কল্প তরু উৎসব ও বছরের শুভেচ্ছা|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|
পুরান রহস্য – হনুমানজি ও সিঁদুর
আমরা বিশ্বাস করি ভগবান হনুমানকে সিঁদুর দিয়ে পুজো দিলে তিনি সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর ভক্তের মনস্কামনা পূর্ণ করেন এবং bপ্রতি মঙ্গলবার হনুমানজি-কে সিঁদুর দিয়ে পুজো দিলে গৃহস্থের মঙ্গল হয় এবং সংসারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে।এই উপাচারের সাথে জড়িত আছে এক পৌরাণিক ঘটনা রামভক্ত হনুমান-কে সিঁদুর দান করার পিছনে একটি পৌরাণিক কাহিনী রয়েছে।পুরানে উল্লেখ আছে একদিন দেবী সীতাকে সিঁদুর পড়তে দেখে হনুমান সীতাকে জিজ্ঞেস করেন যে তিনি কেন সিঁদুর পড়ছেন, উত্তরে সীতা হনুমানকে জানিয়েছিলেন,ঈশ্বর রামের দীর্ঘায়ুর জন্যই সিথিতে সিঁদুর পড়েন তিনি।হনুমান তখন ভাবেন যদি সিঁদুরই তাঁর প্রভু রামের দীর্ঘায়ুর চাবিকাঠি হয় তাহলে তিনিও সিঁদুর পড়বেন।তাই সীতার কথা শুনেই নিজের পুরো শরীরেই সিঁদুর মেখে নেন হনুমান।এখান থেকেই সূত্রপাত হয় তার সিঁদুর প্রীতির |গুরুর প্রতি শিষ্যের এমন ভালোবাসা ও ভক্তির কথা জানতে পেরে শ্রীরামচন্দ্র হনুমানকে আশীর্বাদ করেন যে, সবাই তাকে সিঁদুর দিয়ে পুজো করবে। আর সেই থেকে আজও ভগবান হনুমানকে সিঁদুর দান করে পুজো করা হয়।এরপর থেকেই হনুমান ভক্তরা মনে করেন, বীর হনুমানকে সিঁদুর দান করলে তিনি সেই সিঁদুর নিজের গায়ে মাখেন এবং ভক্তের সমস্ত ইচ্ছে পূরণ করে দেন।আপনারাও নিজ মনোস্কামনা জানিয়ে তার উদ্দেশ্যে সিঁদুর অর্পণ করতে পারেন|ভালো ফল পাবেন|এমন আরো অনেক পৌরাণিক ঘটনার ব্যাখ্যা পেতে পড়তে থাকুন প্রতিটি লেখা|জ্যোতিষ বিষয়ে পরামর্শ ও সমস্যার সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুন উল্লেখিত নাম্বারে|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|
মা সারদার জন্মতিথিতে প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলি
হাতে গোনা আর কয়েকটি দিন পরেই কল্পতরু উৎসব, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য রামকৃষ্ণ ভক্তের কাছে একটি বিশেষ দিন, এবং তার ঠিক আগে আজকের দিনটি আমাদের অর্থাৎ রামকৃষ্ণ ও মা সারদার অনুরাগী দের কাছে একটি স্মরণীয় দিন, আজ দেবী সারদার একশো উনষত্তর তম জন্ম তিথি|আজ মা সারদার ব্যাক্তিত্বের একটি বিশেষ দিক আলোচনা করে তাকে শ্রদ্ধা জানাবো,তার দিব্য চরনে আমার প্রনাম নিবেদন করবো|একবার মা তার ভক্ত আমজাদকে নিজের হাতে খেতে দিয়েছিলেন, এমনকী খাওয়া শেষে এঁটো থালা পরিষ্কার করতেও তাঁর কোনও দ্বিধা ছিল না। আমজাদের পরিচয় সম্পর্কে মাকে মনে করিয়ে দেওয়ায় তিনি বলেছিলেন, ‘আমার শরৎ যেমন ছেলে, ওই আমজাদও তেমন ছেলে’, এখানে শরৎ, অর্থাৎ পরবর্তী কালে স্বামী সারদানন্দ মহারাজ।এই সামান্য ঘটনাটির তাৎপর্য মোটেও সাধারণ নয়। আজকের এই জটিল আর্থ-সামাজিক দুনিয়ায়, যেখানে অসহিষ্ণুতার একটা বিষময় বাতাবরণ, সেখানে মা সারদার এই সহজ অভিব্যক্তিটা খুব বেশি প্রাসঙ্গিক বলে মনে করি। আজও আমরা সর্বস্তরে জাতপাতের সীমানা লঙ্ঘন করতে পারছি না। আমরা সবাই এক এবং অভিন্ন, এই শাশ্বত বোধ আমাদের সবার মধ্যে আসছে না|কিন্তু পথ দেখাতে পারেন মা সারদা ও তার ত্যাগ এবং আদর্শ যিনি সেই যুগে দাঁড়িয়ে প্রকৃত সমাজসেবী হিসেবে এক বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন, ‘আমরা ওরা’র বন্ধন।মা সারদা প্রকৃত অর্থেই হয়ে উঠেছিলেন সৎ এর ও মা আবার অসৎ এর ও মা|তার কাছে নরেন ও যা রঘু ডাকাত ও তাই|তাই ঠাকুরের দেহ রাখার পর নিবেদিতা থেকে বিবেকানন্দ সকলের কাছেই তিনি ছিলেন প্রধান পরামর্শদাত্রী এবং সব কর্মকান্ডের শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণা|প্রকৃত অর্থেই সংঘ জননী |আজ জন্মতিথিতে বিশ্ব জননী, সংঘ জননী মা সারদার চরনে আমার শত কোটি প্রনাম শ্রদ্ধাঞ্জলি | ভালো থাকুন |ধন্যবাদ |
বড়দিনের শুভেচ্ছা
আজ বহু প্রতিক্ষিত ও পবিত্র বড়দিন |আজকের এই পবিত্র দিন প্রভু যীশুর জন্মদিন হিসেবেই পালিত হয় গোটা বিশ্বে|প্রকৃত অর্থে এই ক্রিসমাস ডে প্রভু যীশুর জন্মদিন কিনা তা বিতর্কের বিষয়|বাইবেলে কিন্তু কোথাও প্রভু যীশুর জন্মের নিদ্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ নেই|অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন এই তারিখের ঠিক নয় মাস পূর্বে মেরির গর্ভে প্রবেশ করেন যিশু। সম্ভবত, এই হিসাব অনুসারেই ২৫ ডিসেম্বর তারিখটিকে যিশুর জন্মতারিখ ধরা হয় হয় এবং উৎসব পালন করা হয়|
সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভারত এবং অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ মেতে ওঠে এই উৎসব পালনে|
আজকাল বড়দিন আর শুধু ক্রিস্টান ধর্মের মানুষ দের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, জাতী ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বড়দিন পালন করি শুভেচ্ছা বিনিময় করি|আর এখানেই আমাদের দেশের সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের এক মহান চিত্র ফুটে ওঠে|
এই দিনকে খ্রিস্টমাস ও বলে আবার এক্স মাস ও বলে কারন ইংরেজি খ্রিস্টমাস শব্দটি “খ্রিস্টের মাস ” বোঝাতে ব্যবহার হয়ে আসছে এবং মূলত গ্রিক ভাষা থেকে এই শব্দের জন্ম হয়েছে|যেহেতু প্রাচীন গ্রিক ভাষায় Χ অক্ষর টি Christ বা খ্রিষ্ট শব্দের প্রথম অক্ষর তাই তাই এই অক্ষরটি খ্রিষ্ট শব্দেরনামসংক্ষেপ|
আবার অনেকের মতে ভৌগোলিক ভাবে উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ অয়নান্ত দিবস উপলক্ষে ২৫ ডিসেম্বর তারিখে বড়দিন পালিত হয় বিশ্ব জুড়ে অর্থাৎ আক্ষরিক দিক দিয়ে এই দিন সত্যি বড়ো দিন|
বড়দিন বলুন বা ক্রিস্টমাস কিংবা এক্সমাস দিনটি ওতি পবিত্র|আজ প্রভু যীশুর কাছে প্রার্থনা জানানোর দিন আজ উৎসব করার দিন|আপনারাও প্রার্থনা করুন উৎসব পালন করুন|আমার তরফ থেকে আপনাদের সবাইকে বড়দিনের অসংখ্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন|ভালো থাকবেন|ধন্যবাদ|
মন্দির রহস্য – বীরভূমের প্রাচীন লক্ষী মন্দির
মন্দির রহস্য সিরিজে বহু প্রাচীন কালী মন্দির, হনুমান মন্দির এবং শিব মন্দিরের কথা লিখেছি|আজ এক প্রাচীন লক্ষী মন্দিরের কথা লিখবো যা অবস্থিত বীরভূমের এক প্রাচীন গ্রামে|এই মন্দির ঘিরে অসংখ্য অলৌকিক ঘটনা ও প্রচলিত কিংবদন্তী|শুরুতেই মন্দির নির্মাণের সাথে জড়িত অলৌকিক এক ঘটনার কথা বলি,প্রায় পাঁচশো বছর আগে বীরভূমে এই গ্রামে আসেন পূর্ববঙ্গের এক পরিব্রাজক সন্ন্যাসী কামদেব ব্রহ্মচারী। এই গ্রামের একটি নিমগাছের তলায় সাধনস্থল হিসেবে চিহ্নিত করে থাকতে শুরু করেন। কিছুদিনে পর এক গ্রামবাসী দীঘির ধারে জমিতে চাষ করছিলেন সে হটাৎ দেখতে পায়,দীঘির জলে একটি পদ্মফুল ভেসে যাচ্ছে।পদ্মফুল তুলতে নেমে পড়েন দীঘিতে ফুটে থাকা পদ্মফুল দেখতে পেলেও নাগাল পান না কিছুতেই।সেই রাতে মা লক্ষ্মীর স্বপ্নাদেশ পান ওই গ্রামবাসী, ওই দীঘির জলেই নিরাকার রূপে দেবী লক্ষী অবস্থান করছেন। পর দিনই দীঘিতে নিম কাঠ ভাসতে দেখেন তুমি । সেই কাঠ তুলে এনে দেবীর নির্দেশ মতো গ্রামের নিম গাছতলায় আসন পাতা কামদেব ব্রহ্মচারীর কাছে নিয়ে যান এবং সাধক ওই নিম কাঠ থেকে লক্ষ্মীমূর্তি গড়ে তোলেন। সেই দেবীমূর্তি প্রতিষ্ঠা হয় গ্রামেই।আজও ওই মূর্তি পূজিত হয় এখানে|দেবী লক্ষীর বাস এখানে । কিংবদন্তী বলে,তাই ঘোষ গ্রামে এক সময় ধান নয়, সরাসরি চাল ফলত। দীর্ঘদিন দেবীর হাতে তাই চালের শিষ শোভা পেত।এবিং লক্ষীর বাসস্থান এই গ্রাম, তবে অদ্ভুত ভাবে কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে এখানে কোনও বাড়িতে শাঁখ বাজে না। কেউ নিজের বাড়িতে লক্ষ্মীর ঝাঁপিও রাখেন না। কারণ বাড়িতে লক্ষ্মীপুজো করা নিষিদ্ধ এই গ্রামে কারন তার কারণ এখানে প্রাচীন এই সর্বজনীন লক্ষ্মী মন্দিরে ১২ মাস পূজিতা দেবী।কয়েক শো বছর ধরে এমনই প্রথা চলে আসছে এখানে।জানাবেন কিরকম লাগলো আজকের এই উপস্থাপনা |পড়তে থাকুন এবং যেকোনো জ্যোতিষ ও তন্ত্র সংক্রান্ত পরামর্শ ও সমস্যার সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুন |ভালো থাকুন|ধন্যবাদ |
তন্ত্র রহস্য – প্রাচীন শাস্ত্র ও তন্ত্র
তন্ত্র পক্রিয়া, তন্ত্রের গুরুত্ব এবং মন্ত্র বহু প্রাচীন শাস্ত্রে লিপিবদ্ধ, তবে এই তন্ত্র বিদ্যার সাথে শাস্ত্রের সম্পর্ক আসলে বেদ নির্ভর কারন তন্ত্র মূলত বেদের শেষাংস থেকে সৃষ্টি যাকে আগম বলে|তাই তন্ত্র শাস্ত্রের আরেক নাম আগম শাস্ত্র|এই কারনেই অনেক তান্ত্রিক নিজেকে আগমবাগীশ হিসেবেও পরিচয় দেন, এর অর্থ তন্ত্র শাস্ত্রে পারদর্শী|শাস্ত্র অনুসারে তন্ত্রের ব্যাখ্যা করতে হলে সহজ করে সংক্ষেপে বলা যায় তন্ত্রের দৃষ্টিতেশরীর প্রধান নিমিত্ত, তন বা তনু থেকে তন্ত্র শাস্ত্রের উৎপত্তি শরীর ছাড়া চেতনার উচ্চস্তরে পৌঁছানো যায় না। এজন্য তন্ত্রের গূঢ়ার্থ নিজ ‘তন’ বা দেহের মাধ্যমে আত্মার সাথে পরমাত্মার মিলন ও নিজ দেহে লুকিয়ে থাকা বা সুপ্ত অবস্থায় থাকা কুন্ডলিনি শক্তির পূর্ণ জাগরণ|এই অসাধ্য সাধন করতে পারলেই জগতের বহু শক্তি সাধকের নিয়ন্ত্রণে আসে|বাইরে থেকে এই শক্তির প্রয়োগজাদু বিদ্যার মত মনে হলেও তা আসলে শাস্ত্র নির্ভর এবং হাজার হাজার বছরের গবেষণার ফসল|শাস্ত্রে তন্ত্রের উল্লেখ সম্পর্কে বলতে গেলে বেদ পূরণের পাশাপাশি বলতে হয় আরো একটি বইয়ের কথা, তন্ত্রশাস্ত্রে সুপন্ডি তন্ত্রসাধক কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ ১৭০টি তন্ত্র সাধনার গ্রন্থ থেকে নির্যাস গ্রহণ করে বিখ্যাত “তন্ত্রসার” গ্রন্থটি রচনা করেন, এই বই আজ সমগ্র দেশে সমাদৃত হয়।শুধু ভারতীয় বা হিন্দুদের মধ্যে নয় জৈন এবং বৌদ্ধ ধর্ম কেও প্রভাবিত করেছিলো তন্ত্রবিদ্যা|তিব্বতী বৌদ্ধ তন্ত্রে একসময় বিশাল উচ্চতায় আরোহন করে ছিলো|মধ্যযুগীয় ভারতের মহাসিদ্ধদের দ্বারা উদ্ভাবিত বজ্রযান মতবাদটি বৌদ্ধ তন্ত্র নামে পরিচিত সাহিত্যের সাথে মিশে গেছে|এই সংক্রান্ত বহু প্রাচীন পুঁথি ও গ্রন্থ আজও সংরক্ষিত আছে বিশ্বের নানা প্রান্তে যা তন্ত্র শাস্ত্রের মনি মুক্ত রূপে প্রশংসিত হয়|ব্যাবহারিক ভাবে তন্ত্র মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে সঠিক দিশায় এবং জ্যোতিষ শাস্ত্রে প্রতিকার রূপে সাফল্যর সাথে যুগ যুগ ধরে তা প্রমানিত|তন্ত্র মতে যেকোনো সমস্যা নিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন উল্লেখিত নাম্বারে |ভালো থাকুন|ধন্যবাদ