কলকাতার কালী – হংসেশ্বরী কালী মন্দির

319

কলকাতার কালী মন্দির নিয়ে অনেকগুলি পর্ব আগে লিখেছি যা আপনারা বেশ পছন্দ করেছেন|এবার কলকাতার বাইরে জেলার কিছু প্রসিদ্ধ কালী মন্দির নিয়ে লিখবো|আজকের পর্বে হংসেশ্বরী কালী মন্দির|

হুগলি জেলার বাঁশ বেড়িয়াতে অবস্থিত এই প্রাচীন ও সুবিশাল কালী মন্দির টি|

রাজা নৃসিংহদেব ১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দে হংসেশ্বরী কালীমন্দিরের নির্মাণ শুরু করেন এবং তার মৃত্যুর পর ১৮১৪ খ্রিষ্টাব্দে তার বিধবা পত্নী রাণী শঙ্করী মন্দির নির্মাণ সম্পন্ন করেন|

শোনা যায়, মন্দির তৈরির পাথর আনা হয়েছিল চুনার থেকে। আর রাজস্থানের জয়পুর থেকে কারিগরদের আনা হয়েছিল। ২১ মিটার মিনারে রূপ যেন একটি ফোটা পদ্মফুল। মন্দিরের মূল চূড়ার শীর্ষে সহস্রদ্বারে রয়েছেন পরম পুরুষ শ্বেতবর্মধারী মহাদেব আর সভাগৃহের মূলধারে কুলকুন্ডলিনী শক্তিরূপ হংসেশ্বরী।

এই মন্দিরের পুজোর বৈশিষ্ট্য হল, পুজোর দিন মা হংসেশ্বরীর মুখে মা কালীর একটি মুখোশ পরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও পুজোর পরের দিন সেই মুখোশ খুলে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়ম মেনেই চলে আসছে মায়ের পুজো|

দেবী হংসেশ্বরী দর্শনের জন্য বহু সারা বছরই মানুষ আসেন দূর দূরান্ত থেকে তার পাশাপাশি এটির স্থাপত্য পরিদর্শনের জন্য বহু শিল্পী বাঁশবেড়িয়ায় আসেন|

আশা করি ভালো লাগলো আজকের পর্ব আবার ফিরবো পরের পর্বে|দীপান্বিতা অমাবস্যা উপলক্ষে জ্যোতিষ পরামর্শ ও জ্যোতিষ প্রতিকার নিতে হলে যোগাযোগ করুন উল্লেখিত নাম্বারে|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|