Home Blog Page 110

মন্দির রহস্য – বড়ো কাছারি মন্দিরের রহস্য

আজ বাংলার এক বিখ্যাত ও একইসাথে রহস্যময় শৈব তীর্থ নিয়ে আলোচনা লিখবো যা বড়ো কাছারি শিব মন্দির নামেই জগৎ প্রসিদ্ধ| দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিষ্ণুপুর থানার বাখরাহাটে অবস্থিত বড়কাছারি|এক সময়ে আজকের বাখরাহাট সংলগ্ন এলাকা ছিলো ঘন জঙ্গলে ঢাকা, এখানেই বাস করতেন এক সাধু, শোনা যায় স্থানীয় অধিবাসীদের সকল বিপদ থেকে রক্ষা করতেন ওই সাধু, তার মৃত্যুর পর তার মরদেহ না পুডিয়ে সেই শশ্মানে সমাধিস্থ করে ভক্তগণ। পরে সেই সমাধিক্ষেত্র হতে এক অশ্বত্থ গাছ জন্মায় এবং ওই স্থানে স্থাপন করা হয় এক শিবলিঙ্গ, স্থানটি ক্রমশঃ সর্বত্র বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং দূর দূর থেকে মানুষ আসতে থাকেন পুজো দিতে| কেনো বড়ো কাছারি নাম হলো সে নিয়েও এক অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ আছে|কাছাড়ি মানে যেখানে বিচার সভা বসে এবং কর্ম ফল অনুসারে শাস্তি বা পুরুস্কার ঘোষণা হয়| জনশ্রুতি অনুসারে এই শশ্মানে নাকি গভীর রাতে স্বয়ং শিবশম্ভু ভূতনাথ বেশে বিচার সভা বসাতেন। সেকারণে স্থানটিকে অনেকে এখনো ভূতের কাছারিও বলেন। আর যেহেতু সে বিচার ভূতনাথরূপী শিবের দরবারে হতো তাই তাঁর বিচারই সর্বশ্রেষ্ঠ তাই সব কাছারির উর্ধে এই কাছারি ও তার বিচার তাই বড়ো কাছারি নামেই পরিচিত হয়েছে এই স্থান| প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বেশ ধুমধাম সহ পূজা হয় এখানে, শিব রাত্রিতে ও বিশেষ বিশেষ তিথিতে ব্যাপক জনসমাগম হয়, দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন বাবার মাথায় জল ঢালতে|ভক্তরা এক ছোট্ট কাগজে তাদের প্রার্থনা দরখাস্তের আকার লিখে মন্দিরের গায়ে বেঁধে দেন|শোনা যায় এখানে করা কোনো প্রার্থনাই নাকি বিফলে যায় না| পরের পর্বে আবার এমনই কোনো রহস্যময় মন্দিরের কথা নিয়ে ফিরে আসবো|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|

মন্দির রহস্য – শিঙ্গাপুর শনি দেবের মন্দিরের রহস্য

আজ মন্দির রহস্যর এই পর্বে লিখবো একটি রহস্যময় গ্রাম নিয়ে যে গ্রামের দিন-রাত ২৪ ঘন্টা সবার ঘরের দরজা খোলা থাকে। ‘খোলা থাকে’ বললেও কিঞ্চিত ভুল হবে, কেননা সেই গ্রামের ঘর-বাড়ির দরজাতে কপাটই নেই; মানে চাইলেও দরজা বন্ধ করার সুযোগ নেই।সেখানেই রহস্য এবং এই রহস্যর কেন্দ্র বিন্দুতে আছে গ্রহরাজ শনিদেব ও তার এক রহস্যময় মন্দির|গ্রামের নামকরনও হয়েছে গ্রহরাজ শনিদেব ও তার একটি মন্দির কে কেন্দ্র করে|শিঙ্গাপুর গ্রামের অবস্থান ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশে। জেলার নাম নাভাসা। মহারাষ্ট্রের সুপরিচিত শহর আহমেদ নগর থেকে গ্রামটির দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার। জনশ্রুতি আছে, প্রায় ৩০০ বছর আগে গ্রামটিতে একবার প্রচন্ড বৃষ্টি ও বন্যা হয়। বন্যা শেষ হলে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পানাশালা নদীর তীরে বিশালাকৃতির কালো রঙের একটি পাথর পাওয়া যায়|প্রথমে কেউ পাথর টির স্বরূপ বুঝতে পারেনি তারপর একদিন সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন একই সময় গ্রামের সবার স্বপ্নে দেখা দিলেন শনি দেব। সবাইকে তিনি জানালেন,এটি কোনো সাধারণ পাথর নয়, এটি আমার প্রতিমূর্তি। যদি তোমরা আমার উপাসনা করো তাহলে আমি তোমাদের সবার মুক্তি ও নিরাপত্তা দান করবো|শনি দেবতা তার উপাসনার পদ্ধতি হিসেবে দুটি শর্ত জুড়ে দেন। প্রথমত, এই গ্রামের কোনো এক জায়গায় আমার এ পবিত্র প্রতিমূর্তিটিকে সংরক্ষণ রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, গ্রামের কেউ তাদের ঘরের দরজার কপাট বন্ধ করতে পারবে না। যদি কেউ ঘরের দরজার কপাট বন্ধ করে তাহলে তিনি তাদের নিরাপত্তার দায়দায়িত্ব তিনি নেবেন না। কেননা সবার নিরাপত্তা প্রদানের জন্য দেবতাকে যখন তখন সবার ঘরে প্রবেশের সুযোগ থাকতে হবে। তাছাড়া দরজার কপাট বন্ধ থাকলে দেবতার সুনজর থেকেও গৃহবাসী বঞ্চিত হবে|তারপর তৈরি হলো এক শনি মন্দির প্রতিষ্টিত হলেন শনিদেব|এখানে শনি মন্দিরের উপরে কোনো ছাদ নেই। খোলা আকাশের নিচেই বেদি নির্মাণ করে শনি দেবতার পবিত্র পাথরটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।গ্রহ রাজ শনিদেবের এই আদেশ আজও অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আসছেন এই গ্রামের মানুষ|তাই এই অদ্ভুত ব্যাতিক্রমী রীতি যা ভাবতেও অবাক লাগে|আবার ফিরবো আগামী পর্বে|অন্য কোনো রহস্যময় মন্দির ও তার সাথে জড়িত নানা কিংবদন্তী নিয়ে |জন্ম ছকে গ্রহরাজ পীড়িত বা অশুভ অবস্থায় থাকলে এবং খারাপ ফল দিলে চিন্তার কিছু নেই|জ্যোতিষ শাস্ত্রে তারও সমাধান আছে|যোগাযোগ করুন উল্লেখিত নাম্বারে|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|

মন্দির রহস্য – বুলেট বাবার মন্দিরের রহস্য

আজ অবধি মন্দির মন্দির রহস্যতে আপনাদের শিব মন্দির, কালী মন্দির, গণেশ মন্দির, শনি মন্দির এবং বজরংবলীসহ সব প্রায় সব দেব দেবীর মন্দিরের কথা বলেছি|যে মন্দিরের কথা আজ লিখবো তা কোনো শাস্ত্রসম্মত দেবতারা মন্দির নয়|রাজস্থানের এই মন্দির যেখানে আরাধ্য দেবতা একটি বুলেট বাইক এবং মন্দিরটি বুলেট বাবার মন্দির নামে বিখ্যাত|বিখ্যাত এই মন্দির প্রতিষ্ঠার পিছনে রয়েছে অলৌকিক এক গল্প। তিন দশক আগে ১৯৯৮ সালে ওম সিং রাঠৌর নামে এক তরুণের মৃত্যু হয় পথদুর্ঘটনায়। স্থানীয় গ্রামবাসীর ছেলে ছিলেন তিনি। বুলেট বাবা মন্দিরে পুজো হওয়া বাইকটি আসলে ওম সিং রাঠৌরের । ওই বাইকটি নিয়ে ফেরার পথে পালির কাছে দুর্ঘটনায় পড়েন তিনি। পরদিন পুলিশ তাঁর শবদেহ এবং বাইকটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কিন্তু গ্রামবাসীদের দাবি, রাতে আচমকা উধাও হয়ে যায় বাইকটি। সেটিকে খুঁজে পাওয়া যায় ওম সিং রাঠৌরের দুর্ঘটনার স্থানে। স্থানীয় সূত্রে দাবি, এরকম ঘটনা এক নয় একাধিকবার ঘটে। ট্যাঙ্ক থেকে তেল খালি করে, চেন দিয়ে বেঁধে রাখলেও উধাও হয়ে গিয়েছে বাইকটি।স্থানীয়দের দাবি, আপনাআপনি ইঞ্জিন স্টার্ট হয়ে চালু হয়ে যায় বাইকটি। তারপর থেকেই একটি বিশ্বাস ছড়িয়ে যায় ওম বাবা নিজে ওই বাইকের মাধ্যমে বেঁচে আছেন। পথদুর্ঘটনায় আর যাতে কারও মৃত্যু না হয় তাই তিনি পাহারা দিতে বেরোন। এরপরই দুর্ঘটনাস্থলের গাছের নীচে প্রতিষ্ঠিত হয় বুলেট বাবার মন্দির।রাজস্থানের যোধপুর থেকে পালির দিকে ৫০ কিমি গেলেই দেখা মিলবে এই বুলেট বাবা মন্দিরের। যেখানে পূজিত হয় ৩৫০ সিসি রয়্যাল এনফিল্ডের এক বহুমূল্য বাইক। বুলেট বাবার মন্দির বা ওম বান্নার মন্দির বলে বিখ্যাত রাজস্থানের এই মন্দির। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পথদুর্ঘটনা থেকে বাঁচাবে এই বুলেট বাবা। তাই এপথে যাত্রার আগে স্থানীয় থেকে পর্যটক, সমস্ত গাড়ি চালকরাই এই মন্দিরে পুজো দেন।শুধু তাই নয় গ্রামবাসীদের দাবী বাইকের কাছে যেকোনও সমস্যার কথা জানালে তা সমাধানও হয়ে যায়|ফিরে আসবো পরের পর্বে নতুন কোনো মন্দিরের রহস্য নিয়ে|থাকবে অনেক অলৌকিক ঘটনা|ভালো থাকুন|পড়তে থাকুন|ধন্যবাদ|

মন্দির রহস্য – গাদিয়া ঘাট মন্দিরের রহস্য

ভারতে এমন অনেক মন্দির রয়েছে, যেগুলি তাদের বিস্ময়কর এবং অলৌকিকতার জন্য বিখ্যাত।আজ মন্দির রহস্যতে আপনাদের এমন এক মন্দিরের কথা লিখবো যেখানে তেল দিয়ে নয়, জল দিয়ে প্রদীপ জ্বলে|প্রসিদ্ধ এই মন্দিরটি মধ্যপ্রদেশের কালিসিন্ধ নদীর তীরে অবস্থিত আগর মালওয়ার নলখেদা গ্রাম থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে গাদিয়া গ্রামের কাছে ।মধ্যপ্রদেশের গাদিয়াঘাট ওয়ালি মাতার নামে বিখ্যাত এই মন্দিরটি বর্ষাকালে জলে তলিয়ে যায়। যার সেই কারনে বর্ষা কালে পূজা করা সম্ভব হয় না। বিখ্যাত এই মন্দিরের পুরোহিতরা জানান যে মন্দিরে প্রদিপ প্রথম থেকেই সর্বদা তেল দিয়ে জালানো হত, কিন্তু কয়েক বছর আগে, মা স্বপ্নে মন্দিরের এক পুরোহিতের কাছে হাজির হন এবং জল দিয়ে প্রদীপ জ্বালাতে বলেন।এরপর সকালে পুরোহিত কালিসিন্ধ নদী থেকে জল নিয়ে প্রদিপে ভরে ঢেলে দেন। তার পর অগ্নি শিখা প্রদীপে রাখা তুলোর সলতের কাছে নিয়ে গেলে আগুনের শিখা জ্বলতে থাকে।এই দৃশ্য দেখে পুরোহিত নিজেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং প্রায় 2 মাস কাউকে এ বিষয়ে কিছু বলেননি। তার পর তিনি ২মাস পর গ্রামবাসীকে বিষয়টি জানালে প্রথমে কেউ তাকে বিশ্বাস করেনি। যখন গ্রাম বাসি তাকে বিশ্বাস করছিল না তখন তিনি নদী থেকে জল এনে প্রদীপে ঢেলে জ্বালিয়ে দিলে তা জ্বলে ওঠে।এরপর এই অলৌকিক ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে গোটা গ্রামে।কথিত আছে, সেই থেকে আজ পর্যন্ত কালিসিন্ধ নদীর জল থেকেই এই মন্দিরে প্রদীপ জ্বালানো হয়।শোনা যায় এখানে বাতিতে জল ঢাললে তা বিশেষ একটি তরলে পরিণত হয় এবং প্রদীপে রাখা শিখা জ্বলতে থাকে।বর্ষাকালে এই মন্দিরটি কালী সিন্ধু নদীর জলতে তলিয়ে যায় বর্ষাকালে জলর উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এখানে পূজা করা সম্ভব হয় না।তাই, শারদীয়া নবরাত্রির প্রথম দিনের এখানে আবার শিখা জ্বালানো হয়, যা পরবর্তী বছরের বর্ষাকাল পর্যন্ত জ্বলতে থাকে।অলৌকিকতায় ভরা এই মন্দিরটি দেখতে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা এখানে আসেন। কিন্তু বর্ষাকালে মন্দিরে যাওয়া সম্ভব হয় না।অদ্ভুত এই মন্দিরের খ্যাতি রয়েছে দেশে বিদেশে|ফিরে আসবো পরের পর্বে নতুন কোনো মন্দিরের রহস্য নিয়ে|আরো অনেক এমন অলৌকিক বিষয় নিয়ে কথা হবে|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|

মন্দির রহস্য – অষ্ট বিনায়ক মন্দির

আজ মন্দির রহস্য পর্বে একটি নয় আটটি ভিন্ন ভিন্ন মন্দিরের কথা লিখবো |আটটি গণেশ মন্দির, যেগুলিকে একত্রে অষ্টবিনায়ক মন্দির বলা হয়|শিবের পুজোর জন্য দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ ও শক্তির আরাধনার জন্য যেমন ৫১ শক্তিপীঠের উল্লেখ পাওয়া যায়, তেমনই গণেশের আরাধনার জন্য ৮টি পবিত্র মন্দির রয়েছে যাকে অষ্টবিনায়ক বলা হয় উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো ৮টি মন্দিরই মহারাষ্ট্রে অবস্থিত। প্রথমটি হলো ময়ূরেশ্বর মন্দির, পুণে শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দূরে গণেশের এই পবিত্র ধাম অবস্থিত। মনে করা হয় এই স্থানেই ময়ূরে সওয়ার হয়ে সিন্ধুরাসুর নামক রাক্ষস বধ করেছিলেন গণেশ। তাই এই মন্দিরের নাম ময়ূরেশ্বর মন্দির। দ্বিতীয়টি হলো সিদ্ধিবিনায়ক মন্দির,মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরে ভীম নদীর ধারে অবস্থিত গণেশের এই মন্দির। পাহাড়ের চূড়ায় নির্মিত এই মন্দির সম্পর্কে প্রচলিত আছে যে, এই পবিত্র স্থানেই সিদ্ধি অর্জন করেছিলেন স্বয়ং শ্রী বিষ্ণু। তৃতীয়টি হলো বল্লালেশ্বর মন্দির, গণপতির এই সিদ্ধ মন্দির মহারাষ্ট্রের কুলাবা জেলার পালী নামক স্থানে অবস্থিত।অদ্ভুত স্থাপত্য শৈলীর জন্য বল্লালেশ্বর মন্দিরে গণেশের ওপর সরাসরি সূর্য কিরণ পড়ে।গণেশের অন্যতম ভক্ত বল্লালের নাম অনুসারে এই মন্দিরের এমন নামকরণ করা হয়। চতুর্থ মন্দিরটি হলো, বরদ বিনায়ক যেটা কোলহাপুরে অবস্থিত। প্রচলিত আছে, এই মন্দিরে গণেশ দর্শন করলে ব্যক্তির সমস্ত মনোস্কামনা পূর্ণ হয়।পঞ্চম মন্দিরটি হলো, চিন্তামণী মন্দির,এখানে নিজের ভক্তদের সমস্ত চিন্তা দূর করে থাকেন গণেশ। তাঁর এই মন্দির পুণা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে থেউর গ্রামে অবস্থিত। গণেশের পরম ভক্ত মোরয়া গোসাবী এই মন্দির স্থাপন করেন।ষষ্ঠ স্থানে আছে গিরিজাত্মজ অষ্টবিনায়ক মন্দির, পুণা শহর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে এক গ্রামে অবস্থিত গণেশের এই সিদ্ধ মন্দির।বহু যুগ আগে পর্বত খোদাই করে এই গিরিজাত্মজ মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল|সপ্তম স্থানে আছে বিঘ্নেশ্বর অষ্টবিনায়ক মন্দির,মহারাষ্ট্রের ওঝর জেলার জূনর অঞ্চলে গণেশের এই মন্দির অবস্থিত। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী গণেশ এই অঞ্চলে বিঘনাসুর নামক রাক্ষস বধ করে এই অঞ্চলের জণগণকে রক্ষা করেছিলেন|অষ্টম তথা অষ্টবিনায়কের শেষ মন্দির মহাগণপতি মন্দির যা পুণা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে রাজণগ্রামে অবস্থিত। গণেশের এই মন্দির বহু প্রাচীন। নবম থেকে দশম শতাব্দীর মধ্যে এই মন্দির নির্মিত।গণপতি এখানে মহোৎকট নামেও পরিচিত।সিদ্ধিদাতা গণেশর এই আট মন্দির দর্শনেই সব কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন অনেকে।ফিরে আসবো পরের পর্বে নতুন কোনো মন্দিরের রহস্য নিয়ে|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|

মন্দির রহস্য – সংকট মোচন মন্দিরের রহস্য

তুলসী দাস হনুমান চালিশা লিখেছিলেন তা আপনারা জানেনা, অনেকে এটাও জানেন তিনি হনুমান চালিশা লেখার আগে স্বয়ং হনুমানজীর দর্শন পেয়ে ছিলেন|আজ আপনাদের সেই মন্দিরের কথা জানাবো যেখানে বজরংবলী ও তুলসীদাসের সাক্ষাৎ হয়েছিলো|ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের বারাণসী শহরে অসী নদীর তীরে কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে অবস্থিত সঙ্কটমোচন হনুমান মন্দির অবস্থিত।কথিত আছে, এই মন্দিরটি যেখানে নির্মিত হয় সেখানেই তুলসীদাস হনুমানের দর্শন পেয়েছিলেন।বাল্মীকি-রামায়ণের অবধি-সংস্করণ রামচরিতমানস গ্রন্থের রচয়িতা তুলসীদাস এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মন্দিরের বর্তমান স্থাপত্যটি শিক্ষাবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যের দ্বারা নির্মিত।হনুমান জয়ন্তী এই মন্দিরের প্রধান উৎসব। এই উৎসব উপলক্ষে দুর্গামন্দিরের নিকটবর্তী দুর্গাকুণ্ড থেকে হনুমান মন্দির পর্যন্ত এক বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়।প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, এই মন্দির যাঁরা নিয়মিত দর্শন করেন, তারা হনুমানের আশীর্বাদ পান। প্রতি মঙ্গলবার ও শনিবার ভক্তেরা এই মন্দিরে হনুমানের বিশেষ পূজা দিয়ে থাকেন। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, হনুমান দুষ্টগ্রহ শনিকে দমন করেন। তাই অনেক গ্রহরাজ শনিদেবের অশুভ প্রভাব থেকে বাঁচাতে এই মন্দিরে পূজা দেন।আপনাদের হয়তো মনে আছে ২০০৬ সালের অভিশপ্ত এক দিনে আরতি চলাকালীন তিনটি বোমা বিস্ফোরণ হয় এই মন্দির চত্বরে।এই সময় মন্দিরে অসংখ্য দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন|বজরংবলীর কৃপায় রক্ষা পায় মন্দির ও ভক্তগন পরদিন থেকে আবার মন্দিরের দৈনন্দিন পূজাশুরু হয়|ফিরে আসবো পরের পর্বে নতুন কোনো মন্দিরের রহস্য নিয়ে|অনেক রহস্য ময় ঘটনা ও তার শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা নিয়ে|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|অনলাইন এবং চেম্বারে এসে ভাগ্য বিচারের জন্য যোগাযোগ করুন উল্লেখিত নাম্বারে|ধন্যবাদ |

মন্দির রহস্য – ভূত নাথ মন্দিরের রহস্য

উত্তরা খন্ডের ঋষিকেশে অবস্থিত একটি বহু প্রাচীন শিব মন্দিরে নিয়ে আজকের পর্বে লিখবো| শিব এখানে ভুতেশ্বর মহাদেব নামে প্রসিদ্ধ এবং মন্দিরটি ভূতনাথ মন্দির নামেই জগৎ বিখ্যাত|এই মন্দির ঘিরে রয়েছে একটি রহস্য ও পৌরাণিক আখ্যান|পুরান অনুসারে দক্ষ কন্যা পার্বতীকে বিবাহের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া শিবের বরযাত্রী এই স্থানে এসেছিলো, এবং যাত্রা পথে এই নিদ্দিষ্ট স্থানে তারা অপেক্ষা করে ছিলো কিছুক্ষন, এটি তাদের বিশ্রামের স্থান|পরবর্তীতে স্থানীয় দের অনুরোধে শিব স্বয়ংপ্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি ভুতেশ্বর রূপে এই স্থানে সদা বিরাজমান থাকবেন, তারপর থেকে এই স্থানে সুদৃশ্য আটতল বিশিষ্ট ভূতনাথ মন্দিরে, তিনি বিরাজমান,এমনকি মহাদেবের অশরীরী সঙ্গী সাথীরাও রয়েছে স্বমহিমায়, এমনটাই প্রচলিত বিশ্বাস|জনশ্রুতি আছে এই মন্দিরে এসে ভুতেশ্বর মহাদেবের দর্শন করলে অশুভ শক্তি, ভুত, প্রেত মানুষের আর কোনো ক্ষতি করতে পারেনা, বাবা ভুতেশ্বরের কৃপায় দূর হয় অশুভ শক্তি জনিত সব সমস্যা, তাই এই এই সব সমস্যায় পীড়িত বহু মানুষ প্রায় প্রতিদিন আসেন এই মন্দিরে, ভক্তি সহকারে পূজা দেন|মন্দিরের চার পাশে বেশ একটা গা ছম ছমে অলৌকিক শক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়. প্রতিদিন সন্ধে ছটায় বন্ধ হয় মন্দির|বেশ রহস্যময় একটি বিষয় রয়েছে এই মন্দির প্রাঙ্গনে, এখানে আছে একটি সুসজ্জিত বেদি যার চারপাশে ঝোলানো রয়েছে দশটি ঘন্টা এবং রহস্য রয়েছে এই খানেও, ওই দশটি ঘন্টা থেকে দশ প্রকার আলাদা আলাদা ধ্বনি উৎপন্ন হয় যার কোনো কারন বা ব্যাখ্যা আজও পাওয়া যায়নি|চলবে মন্দির রহস্য নিয়ে আলোচনা|ফিরে আসবো পরের পর্বে নতুন কোনো মন্দিরের রহস্য নিয়ে|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|

মন্দির রহস্য – গ্রহরাজ শনিদেবের অদ্ভুত কিছু মন্দির

আজ শনিবার |আজ মন্দির রহস্য পর্বে গ্রহ রাজ শনিদেবের চারটি মন্দিরের কথা বলবো যেগুলি ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি জ্যোতিষ শাস্ত্রের দিক দিয়েও গুরুত্বপূর্ণ|প্রথম মন্দিরটি তামিলনাড়ু তাঞ্জাভুর জেলায় এই মন্দির অবস্থিত। দুই নদীর মাঝখানে অবস্থিত এই মন্দির। এখানে শনিদেবের বিশেষ মহিমা রয়েছে । প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানে পুজো করলে ব্যক্তি স্বয়ং নিজের রাশি পরিবর্তন করতে পারে। এই মন্দিরে শনির পাশাপাশি শিবের পুজোও করা হয়। এখানে শিব ও শনি এক সঙ্গে নিজের ভক্তদের কল্যাণ করেন।দ্বিতীয় মন্দিরটি মথুরার কোসি কলায় অবস্থিত একটি প্রসিদ্ধ শনি মন্দির যারা চারদিকে জঙ্গল দিয়ে ঘেরা এই মন্দির সম্পর্কে প্রচলিত বিশ্বাস যে, এখানে সাতটি শনিবার সরষের তেল অর্পণ করলে শনি দোষ দূর হয়। উল্লেখ্য, এটি শনির পাশাপাশি গুরু বরখন্ডী বাবারও মন্দির। মনে করা হয় কৃষ্ণ এই স্থানেই কোকিল রূপে শনিকে দর্শন দিয়েছিলেন।পবিত্র এই স্থানে গ্রহ রাজ শনির সঙ্গে শ্রীমতী রাধারানী ও কৃষ্ণের পুজো করা হয়।তৃতীয় মন্দিরটি ছতরপুরে অবস্থিত|এটিও বিখ্যাত একটি পর্যটনস্থল। এখানে শনিদেবের মূর্তি প্রাকৃতিক এবং বিশ্বে শনির সবচেয়ে উঁচু মূর্তি এখানেই আছে । প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী এখানে শনিবার পূজার্চনা করলে শনি প্রদত্ত সব দুখঃ কষ্ট দূর হয়।মন্দিরে কাকের ওপর বিরাজমান শনিদেবের মূর্তি রয়েছে।সারা দেশে বিশেষ করে বাংলায় রহস্যময় মন্দিরের সংখ্যা প্রচুর|ফিরে আসবো অন্য কোনো মন্দির রহস্য নিয়ে|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|

পুরান রহস্য – গয়াসুরের কথা

সনাতন ধর্মে যতগুলি পবিত্র তীর্থস্থানের উল্লেখ আছে গয়া তারমধ্যে অন্যতম বিভিন্ন হিন্দুপুরাণে গয়া নগরীর উল্লেখ আছে। রামায়ণে গয়া নগরীর মহিমার বর্ণনা দিয়েছেন স্বয়ং রামচন্দ্র|আজ গয়া নগরীর ইতিহাস ও গয়াসুরের জীবন নিয়ে লিখবো যার নাম অনুসারে গয়ার নাম রাখা হয়েছে|মধ্যযুগে মৌর্য শাসনকালে গয়া সুসম্পন্ন নগরী হিসেবে গয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।পরে নন্দ, গুপ্ত, পাল বংশের রাজারা গয়া শাসন করে। এরপর গয়া চলে যায় মোগলদের হাতে।তারও পরে ইংরেজরা এই শহর দখল করে নেয়।পুরাণ অনুযায়ী, নিজের শরীরকে দেবতাদের মতো পবিত্র করার ইচ্ছায় প্রজাপতি ব্রহ্মার তপস্যা করেছিলেন বিষ্ণু ভক্ত গয়াসুর। ব্রহ্মার বরে গয়াসুরকে দর্শন করলেই দর্শনকারী স্বর্গে যেতে পারবেন যার ফলে প্রচুর পাপ এবং অন্যায় করেও শুধুমাত্র গয়াসুরের দর্শন করেই স্বর্গে যেতে শুরু করেন সকলে। দেবতারা বিপদে পড়েন। স্বর্গে ভিড় বাড়তে থাকে। অবশেষে দেবতারা গয়াসুরের কাছে নতুন কোনও পবিত্র স্থানের দাবি করেন। বিষ্ণুর কৌশলে গয়াসুর বলেন তিনি মাটিতে শুয়ে পড়লে তাঁর উপর যেন পবিত্রভূমি তৈরি হয়। গয়াসুরের দেহ প্রায় পাঁচ ক্রোশব্যাপী এক পর্বতে পরিণত হয়। গয়াসুরের ইচ্ছে ছিল, তাঁর শরীরের উপর তৈরি নগরীতে কেউ পিণ্ডদান করলে তিনি যেন স্বর্গে যান। ভগবান বিষ্ণু তাঁর সেই ইচ্ছে পূরণ করেন। এবং পরবর্তী সময়ে সেই পাহাড় ভেঙেই এই প্রাচীন নগরী সৃষ্টি হয়েছিল।গয়ার প্রাচীন নাম বিষ্ণু নগরী। একে জ্ঞান এবং মোক্ষলাভের ভূমি বলেও ডাকা হয়। ফল্গু নদীর তীরে অবস্থিত এই প্রাচীন নগরীতেই নাকি রাজা দশরথের নামে পিণ্ডদান করেছিলেন স্বয়ং রাম সীতা । তারপরেই নাকি রাজা দশরথ স্বর্গে প্রবেশ করতে পারেন। ধর্মীয় বিশ্বাস তারপর থেকেই হিন্দুরা মৃত পূর্ব পুরুষের পিণ্ডদানের জন্য গয়াধামে যান। মহাভারতে গয়াকে বলা হযেছে গয়াপুরী।গয়ায় রয়েছে বোধি বৃক্ষ যে বটগাছের নীচে ভগবান বুদ্ধ পরম জ্ঞান লাভ করেছিল|বর্তমানে মহাবোধি মন্দিরের পিছনেই রয়েছে এই প্রাচীন বৃক্ষ। রয়েছে মুচলিন্দ হ্রদ |বৌদ্ধদের বিশ্বাস, ভগবান বুদ্ধের ধ্যানের সময় ভয়ানক ঝড় ওঠে। ঝড়ের দাপটে বুদ্ধদেবের ধ্যান ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়। সেই সময় মুচলিন্দ সাপ বুদ্ধদেবকে রক্ষা করে। সাপের নামেই হ্রদের নাম হয় মুচলিন্দ হ্রদ।গয়ার খুব কাছেই অবস্থিত নালন্দা, পাটনা, রাজগীর, বৈশালী সহ একাধিক স্থান। ভারতের প্রাচীন ইতিহাসের বহু নিদর্শন রয়েছে সেখানে।সারা দেশে বিশেষ করে বাংলায় ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক স্থানের সংখ্যা প্রচুর|তাদের সাথে জড়িয়ে আছে অসংখ্য কিংবদন্তী এবং অলৌকিক ঘটনা|আবার ফিরে আসবো অন্য কোনো পৌরাণিক স্থানের রহস্য নিয়ে আগামী পর্বে|পড়তে থাকুন |ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|

মন্দির রহস্য – করুনাময়ী কালী মন্দির

টালিগঞ্জ এর করুণাময়ী কালী মন্দিরের কথা আপনাদের আগে বলেছি|আজ মন্দির রহস্য পর্বে আপনাদের জন্য উত্তর বঙ্গের রায় গঞ্জে অবস্থিত বিখ্যাত করুণাময়ী কালী মন্দির নিয়ে লিখবো যে মন্দির ঘিরে আছে অসংখ্য রহস্য ও অলৌকিক ঘটনা|রায় গঞ্জ দিয়ে প্রবাহিত কুলিক নদীর তীরে রায়গঞ্জ বন্দর অবস্থিত| সেখানেই ছোট তিনরাস্তার মোড়ে রয়েছে আদি করুনাময়ী কালী মন্দির। বর্তমান মন্দিরের আনুমানিক বয়স কয়েকশো দুশো বছরের বেশি যদিও পুজো হচ্ছে আরো আগে থেকে । আজও সাধক বামাক্ষ্যাপার উত্তরসূরিরা এই মন্দিরের দায়িত্বে আছেন ।শোনা যায় একদা কুলিক নদী দিয়ে বজরা নিয়ে বাণিজ্যে যেতেন সওদাগরেরা।ব্যবসা-বাণিজ্য করতে যাওয়ার সময় এই মন্দিরে পুজো দিতে যেতেন তারা|বর্তমান সময়ে কুলিক নদীর গতিপথ অনেকটাই সংকীর্ণ|শোনা যায়, প্রায় সাড়ে পাঁচশো বছর আগে এই পুজোর প্রচলন হয়। সিদ্ধিলাভের জন্য পঞ্জাব প্রদেশের এক সাধু হেঁটে এসে কুলিক নদীর তীরে বন্দর এলাকায় একটি গাছের নীচে পঞ্চমুণ্ডি আসন প্রতিষ্ঠা করে সাধনায় বসেন। সিদ্ধিলাভও করেন তিনি। তারপর তিনি চলে যান। সেই থেকেই এই পঞ্চমুণ্ডির বেদিতে কালীপুজো শুরু হয়।জনশ্রুতি আছে যে বেদি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানে মা হেঁটে বেড়াতেন। রাতে মায়ের পায়ের নূপুরধ্বনি শোনা যেত। দিনাজপুরের তৎকালীন রাজা মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই স্থানে মন্দির নির্মাণ করেন। মন্দির নির্মাণের পর বামাক্ষ্যাপার উত্তরসূরী সাধক জানকীনাথ চট্টোপাধ্যায় ১২১৬ সালে বেনারস থেকে মায়ের কষ্টিপাথরের মূর্তি এনে মন্দিরে স্থাপন করেন। তখন থেকে এই মন্দিরে নিত্যপুজো শুরু হয়।রায়গঞ্জের করুণাময়ী কালী মন্দিরে প্রতিটি অমাবস্যা তিথিতে এবং বিশেষ করে দীপান্বিতা অমাবস্যা তিথিতে তন্ত্র মতে পূজিতা হন মা।আজও কালীপুজোর রাতে নাকি মন্দির থেকে মায়ের পায়ের নুপূরধ্বনি শুনতে পাওয়া যায়। দেবীকে নাকি হেঁটে বেড়াতেও দেখেছেন অনেকে। দীপান্বিতা অমাবস্যার রাতে কলকাতা সহ অন্যান্য জেলার পাশাপাশি ওডিশা, বিহার, এমনকি বাংলাদেশ থেকেও রায়গঞ্জ বন্দরের প্রসিদ্ধ এই কালীবাড়িতে প্রচুর ভক্ত আসেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস আদি মন্দিরের মা কালী খুব জাগ্রত, তাঁর কাছে প্রার্থনা করলেই তা পূরণ হবে।তন্ত্র মতে এখানে দেবীর পুজো হয় তাই পশুবলী দেয়া হয়|তাছাড়া বিশেষ বিশেষ তিথিতে হোম যজ্ঞ ও চন্ডীপাঠ হয়|সারা দেশে বিশেষ করে বাংলায় মন্দিরের সংখ্যা প্রচুর|তাদের সাথে জড়িয়ে আছে অসংখ্য কিংবদন্তী এবং অলৌকিক ঘটনা|আবার ফিরে আসবো অন্য কোনো মন্দিরের রহস্য নিয়ে আগামী পর্বে|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|