শিব কথা – শিব তত্ত্ব

1956

শিব সংক্রান্ত অনেক পৌরাণিক কাহিনী আপনাদের বলেছি ইতিমধ্যে আজ জানবো কেনো মহাদেব সর্বদা রুদ্রাক্ষ ধারন করে থাকেন কেন তাঁর হাতে ত্রিশূল, কেন তাঁর হাতে ডমরু, কেন সাপ তাঁর সঙ্গী, কেনোই বা তার জটায় চন্দ্র ও গঙ্গা আর কি কারনে তিনি বাঘ ছালে বসে থাকেন আর তার ত্রিশূলের কি আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তাও জানবো|

শিব ঠাকুরের ত্রুশূলে বাঁধা ডমরু বেদ এবং তার উপদেশের প্রতীক যা আমাদের জীবনে এগিয়ে চলার রাস্তা দেখায়৷মহাদেবের ত্রিশূল তিনটি শক্তির প্রতীক- জ্ঞান, ইচ্ছা এবং সম্মতি৷তিনি এই তিনটি জ্ঞান তার নিয়ন্ত্রণে রাখেন|

শিবের গলায়-মাথায় নাগের উপস্থিতি সর্বদা দেখা যায়, যা পুরুষের অহংকারের প্রতীক বলে মনে করা হয়৷রুদ্রাক্ষ আসলে শুদ্ধতার প্রতীক৷ অনেকক্ষেত্রে তাঁর হাতে রুদ্রাক্ষমালা থাকে যা ধ্যানমুদ্রার সূচক বলে জানা যায়৷

শিবের জটার থেকে নির্গত জল- মহাদেবের জটাতে অনেকসময় একটি চেহারা দেখতে পাওয়া যায়৷ আসলে তিনি হলেন গঙ্গা নদী৷ য়অনেক ছবিতে আবার চেহারার পরবর্তে জটা থেকে নির্গত জলধারা দেখতে পাওয়া যায় এবং শিব ঠাকুরের মাথার চাঁদ এই ইঙ্গিত দেয় যে, কাল সম্পূর্ণরূপে তাঁর নিয়ন্ত্রণে৷

শিব ঠাকুরের সব ছবিতেই দেখা যায় তিনি বাঘছাল পরে রয়েচেন, আবার কোনও কোনও ছবিতে এও দেখা যায় যে তিনি বাঘ ছালের ওপর বসে রয়েছেন৷ আসলে এই বিষয়টি নির্ভয়তারই প্রতীক৷শিবের কপালের তৃতীয় নেত্র-কে জ্ঞানের প্রতীক বলে মনে করা হয়৷ অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়, তিনি রেগে গেলে এই তৃতীয় চোখটি খুলে যায় এবং সব কিছু ভস্ম হয়ে যেতে পারে তাতে৷

আশা করি ভালো লাগবে এই সহজ সরল ব্যাখ্যা ও উপস্থাপনা, জানাবেন, আর অবশ্যই যোগাযোগ করবেন যেকোনো জ্যোতিষ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে, সমাধান আমি বলে দেবো, ভালো থাকবেন|ধন্যবাদ|