নিধীবন মন্দির

137

আজকের মন্দির রহস্য লিখবো বৃন্দাবনে অবস্থিত নিধীবন নিয়ে, যাকে ঘিরে আছে অজস্র লোক কথা ও রহস্যময় ঘটনা

বৃন্দাবনের নিধীবনের পাশেই রয়েছে বিখ্যাত বাঁকে বিহারীর মন্দির মনে করা হয় প্রতি রাতেই এই মন্দিরে বিশ্রাম করতে আসেন স্বয়ং ভগবান কৃষ্ণ|তার রাত কাটানোর নানা প্রমান পাওয়াযায় সকালে মন্দিরের দরজা খোলার পর যা অলৌকিক কিন্তু বাস্তব|

মনে করা হয়, এই বনেই গোপিনীদের সঙ্গে রাস লীলায় মেতে উঠেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ ৷ এই বনের গাছ চির সবুজ ৷ কখনও, কোনও কারণে, এমনকী গাছ ফাঁপা হয়ে গেলেও বা জলের অভাব ঘটলেও গাছের পাতা কখনও হলুদ হয় না বা শুকিয়ে যায় না|

আজও প্রতি রাতে কৃষ্ণ তার গোপিনীদের নিয়ে রাসলীলায় মেতে ওঠেন নিধীবনে|আশ্চর্যজনক ভাবে সূর্য ডোবার সাথে সাথে প্রতিটি প্রাণী বন ছেড়ে চলে যায়|কথিত আছে রাতে বনের প্রতিটি গাছ গোপিনীর রূপ ধরে শ্রী কৃষ্ণের সাথে রাসলীলায় অংশ নেয় এবং সূর্যউদয়ের আগে আবার সবকিছু ফিরে যায় আগের অবস্থায়|এমনকি এই বনে রাতে নূপুরের শব্দও শোনা যায়|

সন্ধের পর এখানে প্রবেশ নিষেধ|এই নির্দেশ যারা মানেননি তাদের করুন পরিণতির কোথাও শোনা যায়|এমনকি আশপাশের বাড়ি গুলির জানালা যদি নিধীবনের দিকে থাকে তবে সেগুলিও বন্ধ রাখা হয় রাতে|

কতইনা রহস্যময় মন্দির ছড়িয়ে রয়েছে আমাদের দেশে|আনবো তাদের কথা একে একে|পড়তে থাকুন আর জ্যোতিষ পরামর্শ আর ভাগ্যবিচারের জন্যে এবং প্রতিকার বা গ্রহদোষ খণ্ডনের জন্যে আমাকে প্রয়োজন হলে জানান উল্লেখিত নাম্বারে|আপনাদের জানিয়ে রাখি চলতি মাসে আগামী অমাবস্যা তিথিতে মা হৃদয়েশ্বরী মসর্বমঙ্গলা মন্দিরে বিশেষ পূজা ও শাস্ত্র মতে গ্রহদোষ খণ্ডনের সু ব্যবস্থা করা হয়েছে অংশ গ্রহণ করতে বা গ্রহদোষ খণ্ডনের জন্যে অবশ্যই ফোন করুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|