পুরুলিয়া ভ্রমণ – ভৌতিক স্টেশন বেগুন কোদর

619

ভৌতিক বা অলৌকিক অভিজ্ঞতা জীবনে আমার কিছু কম হয়নি, তার অনেকগুলোই ইতিমধ্যে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি গল্পর মাধ্যমে, এবার পুরুলিয়া ভ্রমণে এসেও এক অন্য ধরণের গা ছমছম করা অভিজ্ঞতা হলো, আজ সেই কথা বলি,আজ গেছিলাম সেই কুখ্যাত বেগুনকোদর স্টেশনে, অনেক ভৌতিক গল্প ও অলৌকিক অভিজ্ঞতা শুনেছি এই স্টেশন কে নিয়ে, আজ নিজে দেখলাম, জানিয়ে রাখি,একটি ঘটনার পর থেকে থেকে ৪২ বছর ধরে বন্ধ ছিল স্টেশনটি।

২০০৯-এ তত্কালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্টেশনটি ফের চালু করেন। তবে ভূতের ভয় যাত্রীদের পিছু ছাড়েনি। বিকেল পাঁচটার পরই এই স্টেশনে আর যাতাযাত আর করেন না যাত্রীরা।পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড় ঘেঁষা ছোট্ট স্টেশন বেগুনকোদর ‘ভূতুড়ে’ স্টেশন হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল সেই ১৯৬৭ থেকে।শোনা যায় ওই বছর এক রাতে রেল লাইন ধরে সাদা পোশাক পরা একজন মহিলাকে হেঁটে যেতে দেখে স্টেশন মাস্টার মারা গিয়েছিলেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই মহিলা কয়েক বছর আগে আত্মহত্যা করেছিলেন বলে দাবি। এরপর থেকেই যাত্রীরা স্টেশনটি এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। ‘ভূতুড়ে’ তকমা সেঁটে যায় বেগুনকোদর স্টেশনের সঙ্গে। রেলওয়ের রেকর্ডেও এই তকমা পায় স্টেশনটি।

আজ অবশ্যই কোনো ভূত দেখার অভিজ্ঞতা হয়নি তবে নির্জন ও প্রায় পরিত্যক্ত এই স্টেশন চত্বরে এসে দাঁড়ালে একটু যে গা ছম ছম করে তা ঠিক, রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা হলে অবশ্য কি হতো বলা যায়না, সে উত্তর তোলা থাক ভবিষ্যত এর জন্যেপরের অভিজ্ঞতা কি হয় জানাবো যথা সময়ে, পড়তে থাকুন|ভালো লাগলে জানাবেন|ভালো থাকুন|নমস্কার|