বাংলার কালী- হুগলীর মা সারদার স্মৃতি বিজরিত প্রাচীন কালী মন্দির

189

বাংলার প্রাচীন কালী মন্দির গুলির মধ্যে অসংখ্য ডাকাত কালী মন্দিরে এবং যার অধিকাংশ রয়েছে হুগলীতে|এই হুগলীর পুরুষোত্তমপুরে রয়েছে একটি শতাব্দী প্রাচীন ডাকাত কালীর মন্দির যে মন্দিরে ঘটেছিলো এক অলৌকিক ঘটনা এবং এই ঘটনার মধ্যমনি ছিলেন স্বয়ং মা সারদা| শোনা যায়, মা সারদা একবার এই পথে ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব কে দেখতে যাওয়ার সময় এই পুরুষোত্তমপুরের গগন ডাকাতের খপ্পরে পড়েন। কিন্তু এর পর একটি অলৌকিক ঘটনা ঘটে এবং সারদা মায়ের মধ্যে মা কালীর রূপ দর্শন করে ডাকাত দল পথ ছেড়ে দেয়। ডাকাতরা সারদা মা-কে চাল কলাই ভাজা খেতে দেন|তার কাছে ক্ষমা চান ও নিজেরা দায়িত্ব নিয়ে স্বসম্মানে তাকে পৌঁছে দেন তার গন্তব্যে| এই অলৌকিক ঘটনার পর থেকেই চাল কলাই ভাজা হয়ে ওঠে পুরুষোত্তমপুরের মা কালীর মূল প্রসাদ| শতাব্দী প্রাচীন এই কালী মন্দিরে আগে কোনও মূর্তি ছিলনা, ঘটে পুজো হত। পরবর্তীকালে নিকটবর্তী চালকেপাটি বাঁকিপুর গ্রামের অধিবাসীরা বর্তমানের সুদৃশ্য আটচালা মন্দিরটির নির্মাণ করে দেন।মন্দির গাত্রে টেরাকোটার কাজ লক্ষ্যণীয়। তিন খিলান যুক্ত এই মন্দিরের একটিই প্রবেশ দ্বার। মন্দির সম্মুখে সুন্দর একটি নাটমন্দির রয়েছে। প্রতিটি অমাবস্যা ও  দীপাবলি কালীপুজো হয় তন্ত্রমতে। চার প্রহরে চারবার মায়ের পুজো হয়। নয় রকম বলি দেয়া হয়। এক কালে যথেচ্ছ ছাগবলি চালু থাকলেও বর্তমানে তার সংখ্যা ১০-১২ তে এসে ঠেকেছে।তবে মানুষের আস্থা ও ভক্তি অটুট ও অগাধ এই মা সারদার স্মৃতি বিজড়িত কালী মন্দির ঘিরে| মা হৃদয়েশ্বরী সর্ব মঙ্গলা মন্দিরে আসন্ন কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে গ্রহ দোষ খণ্ডন ও হোম যজ্ঞে অংশ নিতে যোগাযোগ করুন উল্লেখিত নাম্বারে|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|