মন্দির রহস্য – ভূতনাথ মন্দির

440

ইদানিং পেশাগত ব্যস্ততা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে,বহু মানুষ ফোন করছেন জ্যোতিষ সংক্রান্ত প্রশ্ন ও সমস্যা নিয়ে, অনলাইনের পাশাপাশি চেম্বারে নিয়মিত বসা চলছে, আর প্রতিদিনের টিভির অনুষ্ঠান তো চলছেই আর এতো কিছুর মধ্যেই আজ আবার একটি মন্দির রহস্য পর্ব নিয়ে আমি আপনাদের সামনে, আজ বলবো ভারতের একটি অন্যতম রহস্যময় মন্দির নিয়ে, ভূতনাথ মন্দির|

উত্তরা খন্ডের ঋষিকেশে অবস্থিত একটি বহু প্রাচীন শিব মন্দির, শিব এখানে ভুতেশ্বর মহাদেব নামে প্রসিদ্ধ এবং মন্দিরটি ভূতনাথ মন্দির নামেই জগৎ বিখ্যাত|এই মন্দির ঘিরে রয়েছে একটি রহস্য ও পৌরাণিক আখ্যান|

পুরান অনুসারে দক্ষ কন্যা পার্বতীকে বিবাহের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া শিবের বরযাত্রী এই স্থানে এসেছিলো, এবং যাত্রা পথে এই নিদ্দিষ্ট স্থানে তারা অপেক্ষা করে ছিলো কিছুক্ষন, এটি তাদের বিশ্রামের স্থান|পরবর্তীতে স্থানীয় দের অনুরোধে স্বয়ং প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি ভুতেশ্বর রূপে এই স্থানে সদা বিরাজমান থাকবেন, তারপর থেকে এই স্থানে সুদৃশ্য আটতল বিশিষ্ট ভূতনাথ মন্দিরে, তিনি বিরাজমান,এমনকি মহাদেবের অশরীরী সঙ্গী সাথীরাও রয়েছে স্বমহিমায়, এমনটাই প্রচলিত বিশ্বাস|

কথিত আছে এই মন্দিরে এসে ভুতেশ্বর মহাদেবের দর্শন করলে অশুভ শক্তি, ভুত, প্রেত মানুষের আর কোনো ক্ষতি করতে পারেনা, বাবা ভুতেশ্বরের কৃপায় দূর হয় অশুভ শক্তি জনিত সব সমস্যা, তাই এই এই সব সমস্যায় পীড়িত বহু মানুষ প্রায় প্রতিদিন আসেন এই মন্দিরে, ভক্তি সহকারে পূজা দেন|

মন্দির প্রাঙ্গনে রয়েছে একটি সুসজ্জিত বেদি যার চারপাশে ঝোলানো রয়েছে দশটি ঘন্টা এবং রহস্য রয়েছে এই খানেও, ওই দশটি ঘন্টা থেকে দশ প্রকার আলাদা আলাদা ধ্বনি উৎপন্ন হয় যার কোনো কারন বা ব্যাখ্যা আজও পাওয়া যায়নি|

মন্দিরের চার পাশে বেশ একটা গা ছম ছমে অলৌকিক শক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়. প্রতিদিন সন্ধে ছটায় বন্ধ হয় মন্দির|আগামী দিনে ঋষিকেশ ভ্রমণ কালে এই মন্দির দর্শন করতে ভুলবেন না|

আবার পরের পর্বে দেখা হবে, নতুন কোনো মন্দির রহস্য নিয়ে কথা হবে|পড়তে থাকুন, যোগাযোগ রাখুন আর জীবনের সমস্যার জ্যোতিষ নির্ভর সমাধান চাইলে উল্লেখিত নাম্বারে ফোন করে কথা বলতে পারেন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|