বড়দিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

53

বড়ো দিন এলেই আমার স্বামীজী ও ঠাকুর রামকৃষ্ণর আদর্শর প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত হয় কারন সব ধর্মীয় সংকীর্ণতার উর্দ্ধে গিয়ে তারা প্রভু যীশুর আরাধনা করেছিলো এই বাংলার মাটিতে, স্বয়ং ঠাকুর রামকৃষ্ণ, প্রভু যীশুর উপস্থিত উপলব্ধি করছিলেন একবার, সেকথাও উল্লেখ আছে নানা গ্রন্থে…. আজকের দিন সেই পরম পিতার শ্রেষ্ট সন্তানের জন্মদিন হিসেবেই পালিত হয় গোটা বিশ্বে|সব গির্জায় চলে বিশেষ প্রার্থনা|প্রকৃত অর্থে এই ক্রিসমাস ডে প্রভু যীশুর জন্মদিন কিনা তা বিতর্কের বিষয়|বাইবেলে কিন্তু কোথাও প্রভু যীশুর জন্মের নিদ্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ নেই|অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন এই তারিখের ঠিক নয় মাস পূর্বে মেরির গর্ভে প্রবেশ করেন যিশু। সম্ভবত, এই হিসাব অনুসারেই ২৫ ডিসেম্বর তারিখটিকে যিশুর জন্মতারিখ ধরা হয় হয় এবং উৎসব পালন করা হয়|আবার অনেকের মতে ভৌগোলিক ভাবে উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ অয়নান্ত দিবস উপলক্ষে ২৫ ডিসেম্বর তারিখে বড়দিন পালিত হয় বিশ্ব জুড়ে অর্থাৎ আক্ষরিক দিক দিয়ে এই দিন সত্যি বড়ো দিন|এই দিনকে খ্রিস্টমাস ও বলে আবার এক্স মাস ও বলে কারন ইংরেজি খ্রিস্টমাস শব্দটি “খ্রিস্টের মাস ” বোঝাতে ব্যবহার হয়ে আসছে এবং মূলত গ্রিক ভাষা থেকে এই শব্দের জন্ম হয়েছে|যেহেতু প্রাচীন গ্রিক ভাষায় Χ অক্ষর টি Christ বা খ্রিষ্ট শব্দের প্রথম অক্ষর তাই তাই এই অক্ষরটি খ্রিষ্ট শব্দেরনামসংক্ষেপ|বড়দিন বলুন বা ক্রিস্টমাস কিংবা এক্সমাস দিনটি ওতি পবিত্র| আজ প্রভু যীশুর কাছে প্রার্থনা জানানোর দিন|আজ উৎসব করার দিন|আপনারাও প্রার্থনা করুন|উৎসব পালন করুন|আপাতত রয়েছি প্রতিবেশী দেশ নেপালে|উদ্দেশ্য ভ্রমণ|সেই ভ্রমণ কাহিনী নিয়েও লিখবো যথা সময়ে| আপাতত আমার ও আমার পরিবারের তরফ থেকে আপনাদের সবাইকে,বড়দিনের অসংখ্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন|ভালো থাকুন|শুভ বড়দিন।