মন্দির রহস্য – যে মন্দির থেকে আনা যায়না প্রসাদ

43

রহস্যময় ঘটনা শুনতে পাওয়া যায়।বালাজি মন্দিরে পুজো তো হয় কিন্তু দেবতার কোনো প্রসাদ মেলে না। কেন জানলে চমকে যাবেন।এমনকি একবার এই মাহেন্দিপুরে মন্দির থেকে বেরনোর পর পিছনে ফিরে তাকানো মানা। অদ্ভুত এই সব রহস্যর কথাই লিখবো আজকের পর্বে|রাজস্থানের দাউসা জেলার কাছে দুটি পাহাড়ের মাঝে এই বালাজি মন্দির অবস্থিত । আকারেও খুব একটা বড় নয় এই মন্দিরটি। নেই খুব জাকজমকও। মাহেন্দিপুর বালাজি মন্দির ভূত প্রেত ও অপদেবতা দের জন্য বিখ্যাত এই মন্দিরে ভূত বা অপদেবতা তাড়ানোর কাজ করেন পুরোহিতেরা। নিজের উপর থেকে অপদেবতার ছায়া কাটাতে এখানে বহু লোকের আগমন ঘটে। এই মন্দিরে প্রেতরাজ এবং ভৈরব বাবাজির একটি মূর্তি রয়েছে। প্রতিদিন দুপুর আড়াইটায় প্রেতরাজ সরকারের দরবারে একটি কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়, যাতে মানুষের উপরের অশুভ ছায়া সরিয়ে দেওয়া হয়। এখানে আসার পর অপদেবতার হাত থেকে মুক্তি পেতে দেওয়ালে মাথা ঠুকতে হয়, নয়তো চেন দিয়ে নিজেকে বেঁধে রাখতে হয়। কারণ স্থানীয় মানুষেরা এমনটা বিশ্বাস করেন যে নিজের দেহের উপর অত্যাচার চালালে তবেই শরীরে উপর ভর করেছেন যেসমস্ত উপদেবতা তারা দূরে পালায়।বিজ্ঞান বা যুক্তির উর্দ্ধে মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা আর সেই আস্থার জায়গা থেকেই মানুষ তাদের সমস্যা নিয়ে যুগ যুগ থেকে এখানে ছুটে আসছেন|শোনা যায় অসংখ্য মানুষ উপকৃতও হয়েছেন আজ অবধি|ভৌতিক এই মাহেন্দিপুর বালাজী মন্দিরের প্রসাদ কাউকে খেতে বা নিয়ে যাওয়ার জন্য দেওয়া যায় না। এমনকি আপনি আপনার বাড়ির জন্যেও প্রসাদ নিয়ে যেতে পারবেন না। এমনকি আপনি এখনকার কোনো জিনিসই বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবেন না। কেনোনা বলা হয় এখানকার জিনিস বাড়িতে নিয়ে গেলে নেমে আসবে অশুভ অপদেবতার ছায়া।বিশেষ একটি কারনে এই মন্দির থেকে চলে আসার সময়ে পিছনে ফিরে তাকানো হয় না।তার কারণ এই মন্দির যে আর বাকি মন্দিরের মতো নয়। এখানে ভগবান উপস্থিত থাকলেও এই মন্দির তো আদতে ভূত তাড়ানোর মন্দির। যেখানে বিনা কারণে প্রবেশ মানা আবার পিছনে ফিরে তাকালে ফের সেই অপদেবতারা পিছু নেয়ার বা পুনরায় শরীরে বাসা বাঁধার সুযোগ পেয়ে যায়।ফিরে আসবো পরের পর্বে অন্য কোনো মন্দির রহস্য নিয়ে|থাকবে অনেক অলৌকিক ঘটনা|পড়তে থাকুন|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|