কালী কথা

115

পর্ব চার

দেবী কালিকা বা কালীর সবচেয়ে জনপ্রিয় মূর্তিতে দেবীকে দিগম্বরী রূপে দেখা যায়। দেবীর এই মূর্তি অনেকের কাছে কৌতুহলের কারণ, অনেকের কাছেই কালী মূর্তি এক রহস্য, সেক্ষেত্রে এই দেবীরূপের প্রকৃত তাৎপর্য জানা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।আজ কালী কথার এই পর্বে দেবী মূর্তির কয়েকটি বিষয় নিয়ে ব্যাখ্যা করবো|

দেবীর কেশরাশি উন্মুক্ত, তাঁর এই মুক্ত কেশপাশ তাঁর বৈরাগ্যের প্রতীক। তিনি জ্ঞানের দ্বারা লৌকিক মায়ার বন্ধন ছেদন করেছেন। তাই তিনি চিরবৈরাগ্যময়ী।

কখনও দেবীকে গাঢ় নীল বর্ণেও কল্পনা করা হয়। তিনি গাঢ় নীল আকাশের মতোই অসীম। তাঁর নীল গাত্রবর্ণ সেই গগনসম অসীমতার ইঙ্গিতবাহী।

তার দিগম্বরী রূপের ও কারন আছে, তিনি বিশ্বব্যাপী শক্তির প্রতীক। তিনি অসীম। এই চিরশক্তিকে আবৃত করে এমন সাধ্য কোন বস্ত্রের রয়েছে! দেবী তাই দিগম্বরী।

দেবীর গলায় রয়েছে মোট ৫০টি মুণ্ডের মালা। এই মুণ্ডগুলি ৫০টি বর্ণ বা বীজমন্ত্রের প্রতীক। এই বীজমন্ত্রই সৃষ্টির উৎস।দেবী নিজে শব্দব্রহ্মরূপিনী।দেবীর কোমরের কাটা হাত গুলি কর্ম ও কর্ম ফলের ইঙ্গিত দেয়|

দেবী কালী কে নিয়ে এখনো অনেক কথা বলার আছে, দীপান্বিতা অমাবস্যা ও তন্ত্র শাস্ত্র নিয়েও লিখবো আগামী পর্ব গুলিতে|কিছু দিন পরেই দীপাবলিতে উপস্থিত থাকবো তারাপীঠ মহাশ্মশানে, দীপান্বিতা অমাবস্যার রাতে হবে বিশেষ পুজো ও গ্রহদোষের প্রতিকার,সরাসরি সম্প্রচার ও হবে যেমন হয়|নিজের সমস্যা নিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন নির্দ্বিধায়|পোস্টে নাম্বার উল্লেখিত আছে ফোন করে সরাসরি কথা বলুন|ধন্যবাদ|