কালী কথা – সেবকেস্বরী কালী

7

কালী কথা – সেবকেস্বরী কালী

 

পন্ডিত জিভৃগুশ্রী জাতক

 

শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার পথে ৩১ নম্বর জাতীস সড়কের ধারে রয়েছে সেবকেশ্বরী কালী মন্দির। এই কালী মন্দির নিয়ে আজকের পর্ব।

 

খাড়া পাহাড়ের গা বেয়ে তৈরি হয়েছে এই সিঁড়ি। অদ্ভূত নির্জন পরিবেশ।দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে এই মন্দির এক মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি করে।সেবকেশ্বরী মন্দিরে দেবী দর্শনের জন্য অন্তত ১০৭টি সিঁড়ি পেরতে হয়।

 

বিশেষ অমাবস্যা তিথি গুলিতে শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকা থেকেই নয়, বহু দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা দেবী দর্শনের জন্য আসেন। রাতভর চলে দেবীর আরাধনা। এরপর সকাল থেকে শুরু হয় খিচুড়ি ভোগ নিবেদন। অন্তত দেড়শো কড়াই খিচুড়ি হয় কালীপুজোর রাতে।

কালীপুজোর দিনগুলোতে এই সেবকেশ্বরী কালীমন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে।

 

ভক্তদের বিশ্বাস দেবী অত্যন্ত জাগ্রতা। দেবীর কাছে অন্তর থেকে প্রার্থনা করলে ভক্তের মনস্কামনা পূরণ করেন তিনি।

 

সেবক পাহাড়ের উপর হয় দেবীর আরাধনা তাই দেবীর নাম সেবকেশ্বরী।মন্দিরের সামনে পঞ্চমুন্ডির আসন রয়েছে যা এক মাতৃ সাধকের স্বপ্নাদেশে পাওয়া।

 

পুজোয় সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, তরকারি, পায়েস, লুচি, দই, মিষ্টি মাকে নিবেদন করা হয়। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে এখানে বাধ্যতামূলক ভাবে বোয়াল মাছ দেবীর ভোগ হিসাবে নিবেদন করা হয়। রাতভর চলে দেবীর আরাধনা। এরপর সকাল থেকে শুরু হয় খিচুড়ি ভোগ নিবেদন। অন্তত দেড়শো কড়াই খিচুড়ি হয় কালীপুজোর রাতে।

 

শুধু শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকা থেকেই নয়, বহু দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা দেবী দর্শনে। দার্জিলিং বেড়াতে গেলে অনেকেই একবার সেবক কালীবাড়ি ঘুরে আসেন।

 

আগামী পর্বে আবার ফিরে আসবো

কালী কথা নিয়ে। পড়তে থাকুন।

ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।