বিশেষ পর্ব – অম্বুবাচির আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা

90

চলতি বছরে অম্বুবাচী প্রবৃত্তিঃ অর্থাৎ শুরু হবে ২২ জুন অর্থাৎ ৬ আষাঢ় এবং নিবৃত্তি হবে ২৬ জুন অর্থাৎ ১০ আষাঢ়। আধ্যাত্মিক ভাবে অত্যান্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই সময়ে প্রতিটি পর্বে আপনাদের জানাচ্ছি কি এই অম্বুবাচি এবং কিভাবে ও কেনো এই ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়।

সহজ ব্যাখ্যায় সনাতন ধর্মে পৃথিবী কোনো জড় বস্তু নয় বসুন্ধরাকে কে আমরা এক দেবী বা মাতৃ রূপে দেখি ও পূজা করি তাই স্বাভাবিক ভাবেই এক নারী যেমন সন্তান ধারনের পূর্বে ঋতুমতী হয় ধরিত্রী ও তেমন ফসল উৎপাদনের পূর্বে রজঃস্বলা হয় ও পরবর্তীতে ফসল উৎপাদনের জন্য আরো বেশি উর্বর হয়ে ওঠে|জীবন চক্রের এই বিশেষ পর্যায়কেই অম্বুবাচি বলা হয়।

আষাঢ় মাসে মৃগশিরা নক্ষত্রের তিনটি পদ শেষ হলে অম্বুবাচী কালের সূচনা হয় হন|শুরুর দিনটি অম্বুবাচী প্রবৃত্তি ও ও শেষের দিনটি হলো অম্বুবাচী নিবৃত্তি|

অম্বুবাচি নিবৃত্তি কাল সব দিক দিয়ে অত্যন্ত শুভ।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে সঠিক পরামর্শ মেনে ও উপযুক্ত প্রতিকার নিয়ে বহু মানুষকে জীবন যুদ্ধে জয়ী হতে দেখেছি এবং এই সব সাফল্যের পেছনে
অবশ্যই থাকে কিছু বিশেষ তিথি ও গ্রহগত সংযোগ|অম্বুবাচী এমনি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় যে সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহন করলে জ্যোতিষের মাধ্যমে অনেক কঠিন সমস্যার সমাধান সম্ভব।

আগামী ২৬ অম্বুবাচি নিবৃত্তি এবছর প্রথা মেনে মা হৃদয়েশ্বরী সর্বমঙ্গলা মায়ের মন্দিরে বিশেষ পূজা ও গ্রহ দোষ খণ্ডনের আয়োজন করা হয়েছে। বলতে বাঁধা নেই বিগত বছর গুলিতে এই তিথিতে
গ্রহ দোষ করিয়ে অসংখ্য মানুষ সাফল্য পেয়েছেন।
আমি থাকছি। চাইলে এখনই যোগাযোগ করতে পারেন।

ফিরে আসবো পরবর্তী পর্বে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা নিয়ে।
পড়তে থাকুন। ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।