দেবী মাহাত্ম- জীবন্ত কালীমূর্তি

133

আজকের পর্বে আপনাদের দুর্গাপুরের কল্যাণী কালী মন্দিরের কথা বলবো। এই মন্দিরের অধিষ্টিত্রী দেবী ভক্তদের কাছে জীবন্ত কালী রূপে বেশি জনপ্রিয়।কেনো এই খ্যাতি এবং এই অদ্ভুত নাম সেটা জানতে হলে পড়তে হবে।

অজস্র ঘটনার উল্লেখ রয়েছে দেবী জীবন্ত কালীকে ঘিরে। তার মধ্যে দুটি ঘটনার কথা আজ বলবো। শোনা যায় একবার এক মহিলা কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন যার ফলে তাঁর মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত হয়ে পরে।সেই সময় তিনি এই
দেবীর কাছে নিজের জীবনভিক্ষা করেন । অদ্ভুত ভাবে কিছু দিনের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে ওঠেন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ওই মহিলা। শুধু সেরে যাওয়াই নয়। তিনি দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন।

বহু অলৌকিক ঘটনার মধ্যে দ্বিতীয় যে ঘটনাটি নিয়ে বলবো তা এক চুরির ঘটনা।একবার এই মন্দিরে এক চোর চুরি করেছিল। কিন্তু চুরির পরে প্রণামীর অর্থ সে আর নিয়ে যেতে পারেনি। পথেই আচমকা সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।প্রবল জ্বর আসে তার।চোর বুঝতে পারে কেনো এমন হলো। সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরে ফিরে এসে দেবী কল্যাণী কালীকে চুরি যাওয়া প্রণামীর অর্থ ফিরিয়ে দেয় এবং নিজের অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেয় দেবীর কাছে। অলৌকিক ভাবে পর মুহূর্তেই সেরে যায় ওই চোরের জ্বর। বাড়ি ফিরে যায় সে।

ভক্তদের মতে নানা রকমের অলৌকিক ঘটনা নিত্য ঘটে থাকে এই মন্দিরে।অনেক ভক্তর মতে এখানে এলে প্রায়ই অনুভব করা যায় যে দেবী তাদের আশপাশেই আছেন। মন্দির চত্বরেই তিনি ঘোরাঘুরি করছেন।প্রতি মুহূর্তেই দেবী কালী যেন বুঝিয়ে দেন, তিনি জড় বিগ্রহ নন। তিনি জীবন্ত।তার উপস্থিতি উপলব্ধি করতে হলে অন্তরে শ্রদ্ধা এবং ভক্তি থাকলেই হবে।

ফিরে আসবো আগামী পর্বে। নতুন কোনো দেবী মাহাত্মা নিয়ে। থাকবে এমনই সব অদ্ভুত
এবং অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ। পড়তে থাকুন।ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।