মন্দির রহস্য – বুধেশ্বর শিব মন্দির

110

বাংলার বহু প্রসিদ্ধ শিব মন্দির নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। আজকের পর্বে লিখবো বাংলার প্রতিবেশী রাহয় চত্রিশ গড়ে অবস্থিত এক অতি জাগ্রত ও জনপ্রিয় শিব মন্দির নিয়ে যা স্থানীয়দের কাছে বুধেস্বর শিব মন্দির নাম খ্যাত।

ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুরে চার দিকে ভোলেনাথের অনেক বিখ্যাত শিব মন্দির রয়েছে, কিন্তু ঐতিহাসিক মন্দিরগুলির মধ্যে বুধেশ্বর মহাদেব মন্দির দেখার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
ছত্রিশ গড়ের রায়পুরের এই শিব মন্দিরের ইতিহাস প্রায় ৬০০ বছরের পুরনো।বুধেশ্বর মহাদেবের নামকরণ করা হয়েছে আদিবাসী দেবতার নামে। 

এখানে একটি বহু প্রাচীন জলাশয় আছে। স্থানীয় আদিবাসীদের আরাধ্য দেবতা বুদ্ধদেবের নামানুসারে পুকুরটির নাম বুধতালাব । পুকুরের পাড়ে একটি শিবলিঙ্গ ছিল এবং তার চারপাশে ভয়ঙ্কর বিষধর সাপ বাস করত এবং শিবলিঙ্গের চারপাশে সাপগুলি সর্বদা আবৃত থাকত। বুধতালাবের তীরে থাকায় শিবলিঙ্গটির নাম হয় বুধেশ্বর মহাদেব। পরবর্তীতে স্থানীয় আদিবাসিদের উদ্যোগে পুকুরের পাড়ে একটি ছোট মন্দির তৈরি করে শিবলিঙ্গকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বুধেশ্বর মন্দিরে ২০০ বছরের পুরনো একটি বটগাছ রয়েছে।

মহাশিবরাত্রির সময়ে অসংখ্য ভক্ত এই মন্দির দেখার জন্য ভিড় করেন।মহাশিবরাত্রির সকালে শিবলিঙ্গে ভস্ম আরতি করা হয়।বহু নারী এখানে ছুটে আসেন বট সাবিত্রী ব্রত পূজা করতে।

ফিরে আসবো পরের পর্বে। সঙ্গে থাকবে
নতুন কোনো মন্দির রহস্য পর্ব। পড়তে থাকুন।ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।