দেবী মাহাত্ম: বজ্রবরাহী দেবী

216

দেবী মাহাত্ম নিয়ে এই ধারাবাহিক আলোচনায় আজ পর্যন্ত আপনাদের দেবী দূর্গা দেবী কালী সহ তাদের বিভিন্ন রূপ গুলি নিয়ে আলোচনা করেছি আজ এই পর্বে বৌদ্ধ দেবী বজ্র বরাহীর কথা হবে।উত্তর সিকিমের এক দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে এই বজ্রবরাহীর মন্দির আছে। প্রতি শনিবার রাতে সেখানে পূজা হয়।বলেও শোনা যায় তবে ব্লু পাইন,ফার আর বার্চের গভীর অরণ্যের মধ্যে অবস্থিত সেই মন্দিরে একমাত্র যারা বৌদ্ধ বজ্রযানীতন্ত্রে সিদ্ধ তারাই পূজা দিতে আসে।বহু মানুষ বিশ্বাস করেন তন্ত্রের এই দেবীর পূজা দিলে অনন্ত শক্তির মালিক হওয়া যায়। জগতের সমস্ত সাফল্য অর্জন করা যায়।বৌদ্ধ ধর্মের বজ্রযানি সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রাচীন গ্রন্থে এই এই দেবীর মাহাত্ম উল্লেখ করা আছে।আমাদের প্রতিবেশী দেশ নেপালেও বহু প্রাচীন বজ্রবরাহী দেবীর মন্দির আছে।যারা এই দেবীর পুজো করেন তারা বিশ্বাস করেন বজ্রবরাহী দেবী তুষ্ট হলে ভক্তকে অভীষ্ট ঋদ্ধি আর সিদ্ধি প্রদান করেন। আবার,দেবীকে তুষ্ট করতে না পারলে বা সাধনায় কোনো ভণ্ডামি থাকলে দেবী সাধককে কঠোর শাস্তি দেন।দেবীর সঙ্গিনী মেখলা এবং কনখাল নামে দুই মায়াবী নারী অনেকটা সনাতন ধর্মের ডাকিনী যোগিনীর ন্যায়।দেবী বজ্রর ন্যায় কঠিন ও তার মাথা বরাহর। তিনি দুষ্টের দমন ও সিষ্টের পালন করেন।বজ্র বরাহী দেবী আগাগোড়া রহস্যআবৃত। তার মাহাত্ম বৌদ্ধ তন্ত্রে অপরিসীম।তার রূপ থেকে তার পুজো পক্রিয়া সবই রহস্যময় এবং সাধারণ ভাবেই বেশ কৌতূহলের বিষয়।ফিরে আসবো পরের পর্বে। অন্য কোনো দেবী মাহাত্ম নিয়ে। পড়তে থাকুন।ভালো থাকুন।ধন্যবাদ।