পুরান রহস্য : সরস্বতী পুজোর আগে কেনো কুল খেতে নেই ?

130

বলা হয় সরস্বতী পুজোর আগে কেনো কুল খেতে নেই, বিশেষত বিদ্যার্থীদের তার উত্তর ও রয়েছে পুরানে,সরস্বতী বন্দনার ঠিক আগে আজ একটি পৌরাণিক ঘটনা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো যার মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন কেনো সরস্বতী পুজোর আগে বিদ্যার্থীদের কুল খেতে নিষেধ করা হয়|এই ঘটনায় প্রধান চরিত্র ব্যাসদেব|পুরাণ মতে, ধ্যান ও ভক্তির দ্বারা দেবী সরস্বতীকে তুষ্ট করতে একদিন বদ্রিকাশ্রমে তপস্যা করার সিদ্ধান্ত নেন মহামুনি ব্যাসদেব। তপস্যা শুরুর আগেই দেবী সরস্বতী ব্যাসদেবকে একটি শর্ত দেন তাঁকে। একটি কুল বীজ রেখে তিনি বলেন, এই বীজ থেকে গাছ হয়ে কুল হবে। সেই কুল যেদিন ব্যাসদেবের মাথায় পড়বে সেদিন দেবী সন্তুষ্ট হবেন ব্যাসদেবের তপস্যা সম্পূর্ণ হবে। অর্থাৎ বিরাট একটি সময় সীমা নির্ধারিত হয়|দেবী সরস্বতীর শর্ত মেনে নিয়ে তপস্যা শুরু করেন ব্যাসদেব। দীর্ঘ সময় কেটে গেলো সেই বীজ থেকে গাছ হল, গাছে কুল ধরল এবং কুল পেকে তা ব্যাসদেবের মাথাতেও পড়ল। ঘটনাচক্রে সেই দিনটা ছিল বসন্তী পঞ্চমী, এরপর সরস্বতীর অর্চনায় কুল ফল নিবেদন করেন ব্যাসদেব । সেই থেকেই বিদ্যার দেবীর প্রসাদ হিসেবেই মরসুমের প্রথম কুল খাই আমরা। এবং দেবীর পুজোর আগে কারোর কুল খাওয়া উচিত নয় বিশেষ করে ছাত্র ছাত্রীদের কারন সরস্বতীর কৃপা তাদের সবথেকে বেশি প্রয়োজন|অর্থাৎ প্রচলিত নিয়ম বা বিশ্বাসের সাথে জড়িত আছে শাস্ত্র|দেবী সরস্বতী ও তার পুজো নিয়ে আরো পৌরাণিক ঘটনার ও ব্যাখ্যা নিয়ে ফিরে আসবো যথা সময়ে|আপাতত অনলাইন ও চেম্বারে সমান ভাবে জ্যোতিষ পরামর্শ ও প্রতিকার দেয়ার কাজ চলছে তার জন্য যোগাযোগ করতে হবে উল্লেখিত নাম্বারে|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|