বিনায়ক চতুর্থী ব্রত

189

আমাদের সনাতন ধর্মে উল্লেখিত দেবতাদের মধ্যে গণেশ এক বিরাট স্থান জুড়ে বিরাজমান, তিনি সিদ্ধি দাতা আবার তিনিই বিঘ্ন হর্তা, আজ তার আরাধনার দিন, এই পবিত্র দিনে আসুন জেনেনিই কেনো আমরা গণেশ বন্দনা করবো আর কি ভাবে তার পূজা করলে তার কৃপা সহজেই লাভ করা সম্ভব|

আমাদের সনাতন ধর্মে যে কোনও কাজে সমৃদ্ধি তথা সিদ্ধি দান করেন গণেশ। এ ছাড়াও বুদ্ধিভ্রষ্ট মানুষকে বুদ্ধি দান করেন তিনি। তাই গণেশ চতুর্থীর পূজা উপলক্ষে ভগবানের আরাধনার সঙ্গে সঙ্গে উদযাপন করা হয় সুখ ও সমৃদ্ধিকেও। বাড়িতে গণেশ পূজা করলে সুখ, শান্তি যেমন বজায় থাকে, তেমনই প্রবেশ করতে পারে না অশুভ শক্তি, মুক্তি পাওয়া যায় বহু বিপদ আপদ থেকে|তাই আজ অবশ্যই গণেশ পুজো করুন নিজের সাধ্য ও সামর্থ অনুসারে|

শাস্ত্রে মূলত ষোড়শপচারে গণেশ পুজোর কথা বলা হয় তবে আপনি সহজেই ধূপ, আরতির থালা, সুপুরি, পান পাতা, নতুন পোশাক, চন্দন কাঠ,লাল ফুল, দূর্বা ঘাস, মোদক, নারকেল, লাল চন্দন, ধুনো ও ধূপ।দিয়ে নিজের গৃহ মন্দিরে গণেশ বন্দনা করতে পারেন, এক্ষেত্রে ভক্তি ও শ্রদ্ধাই আসল বাকি সব তারপরে|যারা গৃহ মন্দিরে এ দিন গণেশ স্থাপন করতে চান তারা গণেশ মূর্তি নিয়ে ঘরে প্রবেশের আগে চাল ছড়াতে ভুলবেন না।বাড়িতে গণেশ মূর্তি স্থাপনের আগে সারা বাড়ি পরিষ্কার করুন। স্নান করে শুদ্ধ হন|মূর্তি স্থাপনের আগেও ছড়িয়ে দিন চাল। ওপরে রাখুন সুপুরি, কাঁচা হলুদ, লাল কুমকুম ও দক্ষিণা।

এরপর ওঁ শ্রী গণেশায় নমঃ মন্ত্রের মাধ্যমে এবং সম্ভব হলে গণেশের ১০৮ নাম জপ করার মাধ্যমে অন্তর থেকে সিদ্ধি দাতা গণেশকে ডাকুন ও তার কাছে প্রার্থনা করুন|তিনি সন্তুষ্ট হলে আপনার জীবনের যাবতীয় বাঁধা বিপত্তি দূর হবে সংসারের শ্রী বৃদ্ধি হবে|

সব শেষে বলি এই শুভ সময় বিশেষ করে আজ ও কাল জ্যোতিষ প্রতিকার গ্রহণের জন্যে অত্যন্ত উত্তম বহু শক্ত কাজ ও এই সময়ে সহজেই হয়ে যায় তাই যারা ভাগ্য বিচার বা প্রতিকার গ্রহণের জন্যে মনস্থির করেছেন প্রয়োজন হলে আমাকে উল্লেখিত নাম্বারে জানাতে পারেন|ভালো থাকবেন|জয় শ্রী গণেশ|ধন্যবাদ|