উপপীঠ – চট্টেশ্বরী

35

উপপীঠ – চট্টেশ্বরী

 

পন্ডিতজি ভৃগুশ্রী জাতক

 

এপার বাংলার পাশাপাশি ওপার বাংলা অর্থাৎ অধুনা বাংলাদেশে রয়েছে একাধিক শক্তি পীঠ এবং উপপীঠ। প্রধান সতী পীঠ গুলি নিয়ে আগেই বলেছি।আজ একটি জাগ্রত উপপীঠ নিয়ে লিখবো।।

 

বাংলাদেশের চট্টেশ্বরী মন্দিরকে অনেক শাক্ত সাধক সতীর দেহাংশ পতিত অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি উপপীঠ বলে মানেন। আবার অনেকে বিরোধিতা করেন। বেশি ভাগই মনে করেন এটি একটি উপপীঠ তবে দেবীর কোন অঙ্গ বা অলংকার এখানে পড়েছিল তা স্পষ্ট নয়।

 

এখানে দেবী দুর্গা বা ভবানীর রূপে পূজিতা হন।দেবীর নাম থেকেই এলাকার নাম চট্টগ্রাম।প্রাচীন তন্ত্রসাহিত্য ও লোককথায় চট্টেশ্বরীকে বঙ্গভূমির অধিষ্ঠাত্রী দেবীর স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

 

মন্দিরটি বেশ প্রাচীন। তবে কবে কে নির্মাণ করেন তা স্পষ্ট নয়।এক কালে বহু সাধক ও ভক্ত এখানে তন্ত্রসাধনা ও বিশেষ পূজা-পাঠের জন্য আসতো।দুর্গম পরিবেশে ডাকাত এবং বন্য প্রাণীদের আনাগোনা ছিলো।প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা এই মন্দিরে একটি শান্ত ও ধ্যানমগ্ন আবহ বিরাজ করে।

 

বর্তমানে নবরাত্রি, দুর্গাপূজা এবং কালীপূজার সময় চট্টেশ্বরী মন্দিরে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। অনেক মানুষ আসেন তাদের মনোস্কামনা নিয়ে। শোনা যায় দেবী কাউকে খালি হাতে ফেরান না।

 

ফিরে আসবো পরবর্তী শক্তি পীঠ বা উপপীঠ নিয়ে আলোচনায়। পড়তে থাকুন। ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।