শ্রাবন মাসে শিবকে সন্তুষ্ট করার সহজ উপায়

135

শ্রাবন মাসে কোনো দেবাদিদেব মহাদেবের আরাধনা করা হয় এবং কেনো তিনি এই মাসেইতার ভক্ত দের দাকে দ্রুত সারা দিয়ে থাকেনতার দুটি পৌরাণিক কারন আছে।শিবকে স্বামীরূপে পাওয়ার জন্য পার্বতী দীর্ঘ সময় তপস্যা করেন এবং কঠোর সাধনা করে শিবকে সন্তুষ্ট করলে পার্বতীকে বিবাহ করতে রাজি হন মহাদেব।শাস্ত্র মতে শ্রাবন মাসেই হর গৌরীর এই আধ্যাত্মিক মহা মিলন ঘটেছিলো তাই শ্রাবন মাসেসহজেই শিবকে প্রসন্ন করে তার কৃপা লাভ হয়।দ্বিতীয় পৌরাণিত কাহিনি অনুযায়ী শ্রাবণ মাসেই সমুদ্র মন্থনের ঘটনা ঘটেছিল। সমুদ্র উত্থিত হলাহল বিষ থেকে গোটা ধরিত্রীকে রক্ষা করার জন্য স্বয়ং মহাদেব নিজ কণ্ঠে সেই বিষধারণ করেছিলেন। বিষের প্রভাবে নীল কণ্ঠ রুপী শিবের শরীরে বিষের তীব্রতা হ্রাস করার জন্য স্বর্গের দেবতারা শিবের মাথায় গঙ্গাজল ঢালতে থাকেন। সেই থেকেই শুরু হয় শ্রাবণ মাসেশিবের মাথায় গঙ্গাজল এবং বেলপাতা অর্পণ। তবে শুধুই বেলপাতা গঙ্গা জল বা দুধ নয়।শাস্ত্র মতে আরো কিছু উপাদান এবং সহজসরল উপাচার আছে যা পালন করে আপনারা দেবাদিদেবের কৃপায় অনেক জটিল সমস্যার সমাধান পাবেন। এবার আসুন জেনে নিই এমনই বেশ কিছু উপাচার এবং তার গুরুত্ব।শ্রাবন মাসে শিবরাত্রির দিন ১০৮টা বেলপাতায় সাদা চন্দন মাখিয়ে শিব পুজো করলে সম্পদ লাভ হয় দুঃখ কষ্ট লাঘব হয়।শ্রাবন মাসে শিবরাত্রির দিন দুধ, দই, ঘি, মধু, চিনি পঞ্চামৃত সহযোগে “ওঁ পার্বতী পতয়ে হরায়ে নমঃ”- এই মন্ত্রে ১০৮ বার শিবের অভিষেক করলে বিবাহের বাধা দূর হয় বিবাহিত জীবন ও সুন্দর হয় শ্রাবন মাসের প্রতি সোমবার ১০৮টা বট পাতায় সাদা চন্দন এবং কর্পূর মিশিয়ে ভগবান শিবকে পুজো করলে স্বামী এবং সন্তান ভাগ্য ভালো হয়।শ্রাবন মাসে ভগবান শিবকে মধু আর কর্পূর নিবেদন করলে গোপন শত্রুতা দূর হয় জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ হয়।শ্রাবন মাসে দুধ ও সিদ্ধি সহযোগেশিবলিঙ্গের অভিষেক করলে মানসিক অবসাদদূর হয় এবং গৃহে শান্তি আসে।শ্রাবন মাস জুড়ে থাকছে শিব নিয়ে নানা তথ্য। পৌরাণিক ঘটনার এবং এমন সব কার্যকরী শাস্ত্রীয় আলোচনা।পড়তে থাকুন।ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।