মন্দির রহস্য – বুলেট বাবার মন্দিরের রহস্য

40

আজ অবধি মন্দির মন্দির রহস্যতে আপনাদের শিব মন্দির, কালী মন্দির, গণেশ মন্দির, শনি মন্দির এবং বজরংবলীসহ সব প্রায় সব দেব দেবীর মন্দিরের কথা বলেছি|যে মন্দিরের কথা আজ লিখবো তা কোনো শাস্ত্রসম্মত দেবতারা মন্দির নয়|রাজস্থানের এই মন্দির যেখানে আরাধ্য দেবতা একটি বুলেট বাইক এবং মন্দিরটি বুলেট বাবার মন্দির নামে বিখ্যাত|বিখ্যাত এই মন্দির প্রতিষ্ঠার পিছনে রয়েছে অলৌকিক এক গল্প। তিন দশক আগে ১৯৯৮ সালে ওম সিং রাঠৌর নামে এক তরুণের মৃত্যু হয় পথদুর্ঘটনায়। স্থানীয় গ্রামবাসীর ছেলে ছিলেন তিনি। বুলেট বাবা মন্দিরে পুজো হওয়া বাইকটি আসলে ওম সিং রাঠৌরের । ওই বাইকটি নিয়ে ফেরার পথে পালির কাছে দুর্ঘটনায় পড়েন তিনি। পরদিন পুলিশ তাঁর শবদেহ এবং বাইকটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কিন্তু গ্রামবাসীদের দাবি, রাতে আচমকা উধাও হয়ে যায় বাইকটি। সেটিকে খুঁজে পাওয়া যায় ওম সিং রাঠৌরের দুর্ঘটনার স্থানে। স্থানীয় সূত্রে দাবি, এরকম ঘটনা এক নয় একাধিকবার ঘটে। ট্যাঙ্ক থেকে তেল খালি করে, চেন দিয়ে বেঁধে রাখলেও উধাও হয়ে গিয়েছে বাইকটি।স্থানীয়দের দাবি, আপনাআপনি ইঞ্জিন স্টার্ট হয়ে চালু হয়ে যায় বাইকটি। তারপর থেকেই একটি বিশ্বাস ছড়িয়ে যায় ওম বাবা নিজে ওই বাইকের মাধ্যমে বেঁচে আছেন। পথদুর্ঘটনায় আর যাতে কারও মৃত্যু না হয় তাই তিনি পাহারা দিতে বেরোন। এরপরই দুর্ঘটনাস্থলের গাছের নীচে প্রতিষ্ঠিত হয় বুলেট বাবার মন্দির।রাজস্থানের যোধপুর থেকে পালির দিকে ৫০ কিমি গেলেই দেখা মিলবে এই বুলেট বাবা মন্দিরের। যেখানে পূজিত হয় ৩৫০ সিসি রয়্যাল এনফিল্ডের এক বহুমূল্য বাইক। বুলেট বাবার মন্দির বা ওম বান্নার মন্দির বলে বিখ্যাত রাজস্থানের এই মন্দির। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পথদুর্ঘটনা থেকে বাঁচাবে এই বুলেট বাবা। তাই এপথে যাত্রার আগে স্থানীয় থেকে পর্যটক, সমস্ত গাড়ি চালকরাই এই মন্দিরে পুজো দেন।শুধু তাই নয় গ্রামবাসীদের দাবী বাইকের কাছে যেকোনও সমস্যার কথা জানালে তা সমাধানও হয়ে যায়|ফিরে আসবো পরের পর্বে নতুন কোনো মন্দিরের রহস্য নিয়ে|থাকবে অনেক অলৌকিক ঘটনা|ভালো থাকুন|পড়তে থাকুন|ধন্যবাদ|