জন্মাষ্টমীর আধ্যাত্মিক গুরুত্ব

69

আজ জন্মাষ্টমীর এই পবিত্র সময়ে আসুন জেনে নিই এই তিথির পৌরাণিক ব্যাখ্যা ও তার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব|চন্দ্রমা ধরে হিন্দু শাস্ত্রে যে ক্যালেন্ডার হয় তাতে অষ্টমী তিথিতে জন্মছিলেন ভগবান শ্রী কৃষ্ণ ৷ হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, সৌর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিণী নক্ষত্রের প্রাধান্য দেখা যায়, তখন জন্মাষ্টমী পালিত হয়। উৎসবটি প্রতি বছর ইংরাজি ক্যালেন্ডারে অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোনও এক সময়ে পড়ে।করা হয়েছিল, দেবকী ও বাসুদেবের অষ্টম পুত্র তাঁকে হত্যা করবে।শাস্ত্র অনুসারে কংস তাঁর বোন ও ভগ্নি-পতীকে ভালোবাসতেন। কিন্তু, তাঁদের অষ্টম পুত্র তাঁকে হত্যা করবে, এই ভবিষ্যবাণী শোনার পর তাঁদের সব সন্তানকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন কংস। প্রথম ছয় সন্তানকে হত্যা করতে সক্ষমও হন। সপ্তম সন্তানের হদিশ পাননি কংস। অষ্টম সন্তান, অর্থাৎ কৃষ্ণের জন্মের সময় গোটা রাজ্য ঘুমিয়ে পড়েছিল। বাসুদেব গোপনে সেই সন্তানকে বৃন্দাবনের নন্দ বাবা ও যশোধাকে হস্তান্তরিত করেন।তার পরিবর্তে এক কন্যাসন্তানকে নিয়ে আসনে বাসুদেব ও দেবকী। যাতে তাঁদের অষ্টম সন্তান কৃষ্ণের কোনও খোঁজ না পান কংস। ওই কন্যাসন্তানকে নিয়ে এসে অসুরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু, তিনি যখন তাকে হত্যা করতে উদ্যত হন, সেই সময় ওই কন্যাসন্তান দেবী দুর্গায় রূপ ধারণ করেন। তিনি কংসকে সব কুকর্মের জন্য সতর্ক করে দেন।এদিকে বৃন্দাবনে বেড়ে ওঠে কৃষ্ণ। সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। যখন আরও বড় হয়ে ওঠেন, গোটা বিষয়টি তিনি শোনেন। তার পর সোজা মথুরা চলে আসেন। এখানে এসে কংসকে হত্যা করেন। দেখা হয় মা বাবা দেবকী ও বাসুদেবের সঙ্গে।পরবর্তীতে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে তার ভূমিকা ও দ্বারকায় জীবনের শেষ অধ্যায় নিয়ে শাস্ত্রে বিস্তারিত ব্যাখ্যা আছে যা নানা সময়ে আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি আগামী দিনেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে|জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারেও এই দিনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বলা হয়ে থাকে যে যাদের জন্মপত্রিকায় চন্দ্র দুর্বল অবস্থানে রয়েছে, তাদের জন্য জন্মাষ্টমীর কিছু উপাচার ও কৃষ্ণের আরাধনা গুরুত্বপুর্ণ|সামনেই আবার কৌশিকী অমাবস্যা তাই পবিত্র সময়ে জ্যোতিষ পরামর্শ ও প্রতিকারের জন্যে শ্রেষ্ট সময়|প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন উল্লেখিত নাম্বারে|আপনাদের সবাইকে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানাই|ভালো থাকুন|পড়তে থাকুন|ধন্যবাদ|