বাংলার কালী : কঙ্কালেস্বরী কালী মন্দির

210

কিছুদিন আগেই গেছে কৌশিকী অমাবস্যা, সামনে মহালয়া অমাবস্যা ও দীপান্বিতা অমাবস্যা, প্রতিটি অমাবস্যা তিথিই জ্যোতিষ ও তন্ত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ এই শক্তি সাধনার প্রাক্কালে আজ আরো একবার বাংলার এক প্রাচীন কালী মন্দিরের কথা লিখবো|দক্ষিণ বঙ্গের প্রাচীন কালী মন্দির গুলির মধ্যে অন্যতম বর্ধমানের কাঞ্চন নগরের কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দির|বর্ধমানের মহারাজ বিজয়চাঁদ মহাতাবের উদ্যোগে এই মূর্তি কাঞ্চন নগরের এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করা হয়। সে সময় এই নবরত্ন মন্দির কোনও বিগ্রহ ছিল না। এই পাথরের কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠার দিন থেকে এখানে নিত্য পূজা শুরু হয়|এই মূর্তি প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত আছে এক অলৌকিক ঘটনা ও এক ধার্মিক পরিব্রাজকের নাম|কমলানন্দ পরিব্রাজক নামে এক সাধক মায়ের স্বপ্নাদেশ পান। স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী তিনি দামোদরের তীরে গিয়ে ধোপাদের কাপড় কাঁচার কাজে ব্যবহৃত পাথরটি উদ্ধার করেন। সেই পাথরই খোদাই করা ছিলো এই দেবী মূর্তি। এই পাথরের দেবী মূর্তি পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয় মন্দিরে|পাথরে খোদাই দেবী কঙ্কালের মতো দেখতে। নাম তাই কঙ্কালেশ্বরী কালী। দেবী এখানে অষ্টভূজা। শায়িত শিবের নাভি থেকে উৎপত্তি হয়েছে পদ্মের। সেই পদ্মার ওপর দেবী বিরাজমান। তাঁর চালচিত্রে একটি হাতি রয়েছে।প্রতিটি বিশেষ তিথিতে নিষ্ঠা সহ দেবীর পুজো হয়|এখানে চামুন্ডা মতে দেবীর পুজো হয় এবং এখানে বলী হয়না কখনো|বর্ধমান সহ গোটা বাংলার প্রসিদ্ধ ও প্রাচীন কালী মন্দির গুলির মধ্যে অন্যতম এই কঙ্কালেস্বরী কালী মন্দির|আগামী পর্বে এমন কোনো কালী মন্দির ও অলৌকিক ঘটনা নিয়ে আবার ফিরে আসবো|আগের মতোই চেম্বারে ও অনলাইনে নিয়মিত থাকছি জ্যোতিষ চর্চায়|যেকোনো জ্যোতিষ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন উল্লেখিত নাম্বারে|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|