দেবী জগদ্ধাত্রী

443

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন আর এই ধর্মীয় উৎসব গুলির অন্যতম জগৎধাত্রী পুজো|কিভাবে বাংলায় জগৎধাত্রী পুজোর প্রচলন হলো তা নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও নদিয়ার রাজা কৃষ্ণ চন্দ্রের হাত ধরে যে এই পুজো বাংলায় জনপ্রিয়তা লাভ করে সে বিষয়ে প্রায় সবাই একমত|

দুর্গাপুজোর একমাস পর কার্তিকের শুক্লা নবমী তিথিতে তাঁর স্বপ্নাদিষ্টের রূপের প্রতিমা নির্মাণ করিয়ে পুজোর আদেশ দেন কৃষ্ণচন্দ্রকে। সেই থেকেই নদিয়ায় জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা। যা পরবর্তী কালে গোটা বাংলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে|চন্দন নগরে প্রায় প্রধান উৎসব বলা হয় জগৎধাত্রী পুজোকে যা মহাসমারোহে পালিত হয়|ভিড় জমান দূর দূরান্তের মানুষ|

দেবী জগদ্ধাত্রী দূর্গারই এক রূপ তার বাহন সিংহের পদতলে একটি হস্তীমুণ্ড থাকে। প্রচলিত বিশ্বাস, জগদ্ধাত্রী করীন্দ্রাসুর অর্থাৎ মহাহস্তীরূপী অসুরকে বধ করেছিলেন। এই কারণে জগদ্ধাত্রী ‘করীন্দ্রাসুরনিসূদিনী’ নামে পরিচিত|

এবছর স্বাস্থ সংক্রান্ত বিধি নিষেধ বজায় রেখেই হচ্ছে জগৎধাত্রী পুজো|সেজে উঠছে মণ্ডপ|নিষ্ঠা ও ভক্তির অভাব নেই এতো টুকু|আপনারাও যোগ দিন এই পুজোয়|প্রার্থনা করুন দেবীর কাছে, নিজেদের মনোস্কামনা জানান|সবাইকে জগৎধাত্রী পুজোর শুভেচ্ছা|ভালো থাকুন|ধন্যবাদ|